হোয়াইট হাউসে বলরুম নির্মাণ অব্যাহত রাখার অনুমতি সুপ্রিম কোর্টের

হোয়াইট হাউসের ইস্ট উইংয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত বিশাল বলরুম নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য সবুজ সংকেত দিয়েছে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার ৫-৪ ভোটে দেওয়া এক রায়ে সর্বোচ্চ আদালত নিম্ন আদালতের সেই আদেশ স্থগিত করেছে, যার মাধ্যমে ৯০,০০০ বর্গফুটের এই স্থাপনা নির্মাণ কাজ সাময়িকভাবে আটকে গিয়েছিল।

আদালতের স্বাক্ষরবিহীন মতামতে বলা হয়েছে, ন্যাশনাল ট্রাস্ট ফর হিস্টোরিক প্রিজারভেশন নামক যে সংস্থাটি এই প্রকল্প আটকাতে মামলা করেছিল, তাদের আইনি লড়াই চালানোর অধিকার নেই। আদালত স্পষ্ট করেছে যে, তারা এই মুহূর্তে বলরুম প্রকল্পের বৈধতা নিয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিচ্ছে না। তবে বিচারকদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ মনে করে, জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত স্থাপনা নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার দিক থেকে এই কাজ বন্ধ করা সরকারের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। গোয়েন্দা সংস্থা, সিক্রেট সার্ভিস এবং সেনাসদরের শীর্ষ কর্মকর্তাদের জমা দেওয়া হলফনামার ভিত্তিতে আদালত জানায়, নির্মাণকাজ দীর্ঘ সময় বন্ধ রাখলে ভূগর্ভস্থ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস এই রায়ের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে তিন উদারপন্থী বিচারপতির সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। তিনি মত দিয়েছেন যে, এই নির্মাণকাজ 'সম্ভবত বেআইনি'। রবার্টসের মতে, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ৪শ মিলিয়ন ডলারের এই প্রজেক্ট চালানো হচ্ছে এবং এটি ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখার নীতিকে ক্ষুণ্ণ করছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই সিদ্ধান্তের প্রশংসা করে ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, এটি আমেরিকার স্বর্ণযুগ এবং ২০২৮ সালের গ্রীষ্মে যখন এই বলরুম ও সামরিক কমপ্লেক্সের কাজ শেষ হবে, তখন পুরো দেশ গর্বিত হবে। এদিকে সলিসিটর জেনারেল ডি. জন সাউয়ার আদালতকে জানিয়েছেন, নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে ৬৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে এবং ২৫০ জন কর্মী সপ্তাহে ৭ দিন ২০ ঘণ্টা করে কাজ করছেন। এই প্রকল্পে ৪শ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে ৩৩৫ মিলিয়ন ডলার ব্যক্তিগত অনুদান থেকে সংগৃহীত হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

সাউয়ারের দাবি, এই সুপারস্ট্রাকচারটি কোথাও কোথাও ৭০ ফুট উঁচু এবং এর আয়তন প্রায় ৫০,০০০ বর্গফুট। সাম্প্রতিক সময়ে প্রেসিডেন্টকে লক্ষ্য করে হওয়া বিভিন্ন হত্যার হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বলরুম নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি। তবে ট্রাস্টের আইনজীবীরা যুক্তি দিয়েছেন যে, ফেডারেল সম্পত্তিতে কী ধরনের উন্নয়ন হবে, তা নির্ধারণের সাংবিধানিক অধিকার কেবল কংগ্রেসের।

শিরোনাম :
আর্জেন্টিনায় একের পর এক মৃত বাচ্চা তিমি ভেসে আসার রহস্য খুঁজছেন বিজ্ঞানীরা ব্রাজিল নির্বাচন: শেষ মুহূর্তের প্রচারে লুলা ও বলসোনারোর তুমুল লড়াই স্কুলে ফেরা তুবার হাত ধরলেন ইউএনও, প্রশংসায় ভাসছে প্রশাসন ‘দিবালা ফুটবলের কবি, মালেনকে বোঝেনি অ্যাস্টন ভিলা’ এটিএম বুথে ১ লাখ ২৮ হাজার ডলার পেয়েও ফেরত দিলেন টেক্সাসের যুবক নার্ভাস সিস্টেম ‘রিসেট’ করার প্রয়োজন নেই, বরং দরকার নমনীয়তা: বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট কাটাতে ১০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছাড়ছে জি৭ কেটি মিলারকে সাইবারস্টকিংয়ের দায়ে ম্যাসাচুসেটসের ব্যক্তি অভিযুক্ত ঢাবি সাংবাদিকদের ওপর হামলার পাঁচ মাসেও জমা পড়েনি তদন্ত প্রতিবেদন কিয়েভের সেতুতে রাশিয়ার নতুন হামলা, চার দেশের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আর্জেন্টিনায় একের পর এক মৃত বাচ্চা তিমি ভেসে আসার রহস্য খুঁজছেন বিজ্ঞানীরা ব্রাজিল নির্বাচন: শেষ মুহূর্তের প্রচারে লুলা ও বলসোনারোর তুমুল লড়াই স্কুলে ফেরা তুবার হাত ধরলেন ইউএনও, প্রশংসায় ভাসছে প্রশাসন ‘দিবালা ফুটবলের কবি, মালেনকে বোঝেনি অ্যাস্টন ভিলা’ এটিএম বুথে ১ লাখ ২৮ হাজার ডলার পেয়েও ফেরত দিলেন টেক্সাসের যুবক নার্ভাস সিস্টেম ‘রিসেট’ করার প্রয়োজন নেই, বরং দরকার নমনীয়তা: বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট কাটাতে ১০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছাড়ছে জি৭ কেটি মিলারকে সাইবারস্টকিংয়ের দায়ে ম্যাসাচুসেটসের ব্যক্তি অভিযুক্ত ঢাবি সাংবাদিকদের ওপর হামলার পাঁচ মাসেও জমা পড়েনি তদন্ত প্রতিবেদন কিয়েভের সেতুতে রাশিয়ার নতুন হামলা, চার দেশের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব