জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে হারের পর বাংলাদেশ দলের ব্যাটিংয়ের ভঙ্গুর দশা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তাসকিন আহমেদ। তিনি মনে করেন, দলের ব্যাটারদের দক্ষতার কোনো অভাব নেই, কিন্তু চাপের মুখে দ্রুত উইকেট বিলিয়ে দেওয়ার প্রবণতা বড় দল হওয়ার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাসকিনের মতে, প্রতিটি ব্যাটারই ভালো খেলার সামর্থ্য রাখেন, তবে সামঞ্জস্যহীনতা কাটিয়ে ওঠা এখন সময়ের দাবি। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, দলের সবাই এই সমস্যা সমাধানের জন্য কাজ করছেন এবং দ্রুত এর সমাধান না করতে পারলে তা দলের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
ম্যাচ পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় তাসকিন বলেন, ২৭০ রানের লক্ষ্যটি অবশ্যই অর্জনযোগ্য ছিল। কিন্তু কোনো কার্যকর জুটি গড়তে না পারার কারণেই ম্যাচটি হাতছাড়া হয়েছে। বোলিং কিছুটা ধারাবাহিক হলেও ব্যাটিংয়ে একই ভুল বারবার হচ্ছে। তাসকিন বিশ্বাস করেন, ব্যাটারদেরই এই ম্যাচটি জিতিয়ে আনা উচিত ছিল, কিন্তু তারা তা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। তবে এখনো একটি ম্যাচ বাকি থাকায় তিনি শক্তিশালীভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ফাইনালে খেলার আশা ব্যক্ত করেছেন।
দলের দুই গুরুত্বপূর্ণ সদস্য লিটন দাস এবং মেহেদী হাসান মিরাজকে ছাড়াই মাঠে নামতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। মিরাজ জ্বরের কারণে খেলতে পারেননি। তবে তাসকিন একে কোনো অজুহাত হিসেবে দাঁড় করাতে চাননি। তিনি জানান, দলের বাকি সদস্যরাও যথেষ্ট সক্ষম ছিলেন, কিন্তু তারা নিজেদের মেলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছেন।
আবুধাবির উইকেট ব্যাটারদের জন্য বেশ অনুকূল ছিল উল্লেখ করে তাসকিন জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং কৌশলের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, চাপের মধ্যেও জিম্বাবুয়ে যেভাবে ভালো বলগুলো সামলেছে এবং খারাপ বলগুলো থেকে রান বের করে নিয়েছে, তা আমাদের জন্য শিক্ষণীয়। জিম্বাবুয়ে এখন একটি সুসংহত দল, যাদের ব্যাটিং গভীরতা অনেক বেশি। তাসকিন মনে করেন, জিম্বাবুয়ে দেখিয়েছে কীভাবে চাপের মুখেও ভালো স্কোর গড়া যায়। তিনি আরও বলেন, আমরা কোনো খারাপ দল নই, তবে আমাদের গেম অ্যাওয়ারনেস বা খেলার সচেতনতা আরও বাড়ানো প্রয়োজন।

