আগামী মাসেই অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। তবে অসিদের বিপক্ষে টেস্টে লড়াইয়ের আগে চোটে জর্জর বাংলাদেশ দল। সেই সুবাদে পাঁচ বছর পর টেস্ট দলে জায়গা হয়েছে সৌম্য সরকারের।
সেই ২০২১ সালে সর্বশেষ টেস্ট খেলেছিলেন সৌম্য। সাদা বলের ক্রিকেটে বিবেচনায় থাকা বাঁহাতি ব্যাটারকে টেস্টে কখনোই থিতু হিসেবে ভাবা হয়নি। তবে লম্বা সময় পর তাকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে দলের বর্তমান সংকট ও কিছু নির্দিষ্ট বিষয় মাথায় রেখে।
২০১৫ সালে অভিষেকের পর কেবল ১৬টি টেস্ট খেলতে পেরেছেন সৌম্য। সেখানে ৪ ফিফটি আর এক সেঞ্চুরিতে ২৭.৭০ গড়ে করেছেন ৮৩১ রান। বেশিরভাগ সময় ওপেন করলেও দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটে পাঁচ, ছয়, সাত এমনকি আটেও খেলেছেন তিনি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তার ক্যারিয়ারসেরা ১৪৯ রানের ইনিংসও পাঁচে নেমে। তবে সৌম্য দলে ফিরলেন এবার টপ অর্ডারের বিবেচনাতেই।
এ ব্যাপারে মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচক হাবিবুল বাশার জানান এছাড়া বিকল্প ছিল না তাদের। তিনি বলেন, “কয়েকটি জিনিস আমাদের মাথায় ছিল। যখন আমরা সৌম্যকে দলভুক্ত (পিক) করি, আমাদের মাথায় ছিল যে আমাদের টপ অর্ডারে অনেক বেশি বাঁহাতি ব্যাটার হয়ে যাচ্ছে। তানজিদ তামিম এবং সাদমান ওপেন করলে পর পর চার-পাঁচজন লেফট হ্যান্ডি ব্যাটার হয়ে যায়, যা আদর্শ নয়। এই চিন্তাভাবনা থেকেই জয় একজন ডানহাতি ওপেনার হিসেবে এই কম্বিনেশনের জন্য দরকার ছিল।“
হাবিবুল বাশার আরও বলেন, “তবে সাম্প্রতিক সময়ে জয়ের ব্যাটিং পারফরম্যান্স নিয়ে আমরা কিছুটা চিন্তিত। কিন্তু তারপরেও সে আমাদের ভাবনায় খুব ভালোভাবে আছে, কারণ আমাদের একজন ডানহাতি ওপেনার দরকার, নয়তো পরপর অনেকগুলো বাঁহাতি হয়ে যাচ্ছে। যেহেতু জয়ের ব্যাটিং এই মুহূর্তে একটু ভঙ্গুর (ভালনারেবল) মনে হচ্ছে, তাই আমরা চিন্তা করেছি ওকে খেলায় ফিরিয়ে আনা দরকার।“
তিনি বলেন, “আর সৌম্য সরকার দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে এবং অস্ট্রেলিয়ার যে পেস আমরা প্রত্যাশা করছি, তার সাথে সে অভ্যস্ত। আমরা অন্য ওপেনারের কথাও চিন্তা করেছিলাম, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এই মুহূর্তে আমাদের খুব বেশি প্রস্তুত ডানহাতি ওপেনার নেই। যাদের নিয়ে আমরা কাজ করছি, তারা একদম নতুন। তাদেরকে হঠাৎ অস্ট্রেলিয়া সফরে নিয়ে যাওয়া কঠিন হবে। আমরা আশা করছি যে আগামী এক বছরের মধ্যে আমরা ওরকম একজন ডানহাতি ওপেনার প্রস্তুত করতে পারব, যা আমাদের খুব প্রয়োজন।“
যে কারণে পাঁচ বছর পর টেস্ট দলে সৌম্য
