দীর্ঘ ২৩ বছরের বিরতি শেষে আগামী আগস্টে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে নামবে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। এই সিরিজের জন্য ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) তাদের অভিজ্ঞ ও প্রথম সারির তারকাদের নিয়ে পূর্ণশক্তির স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজলউড, নাথান লায়ন, স্টিভ স্মিথ, ট্রাভিস হেড ও মারনাস লাবুশেনের মতো তারকাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এই দলে।
পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়ার এই শক্তিশালী দল ঘোষণাকে বাংলাদেশের জন্য বড় এক অর্জন এবং নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের দুর্দান্ত সুযোগ হিসেবে দেখছেন টাইগারদের টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। নতুন কুঁড়ি ক্রিকেটের ফাইনালে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে শান্ত বলেন, সাধারণত বড় দলগুলো শক্তির বিচারে পিছিয়ে থাকা দলের বিপক্ষে তরুণদের নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বা মূল তারকাদের বিশ্রাম দেয়। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার এই সিদ্ধান্ত ভিন্ন। তিনি বলেন, স্বাভাবিকভাবে তো এ রকম এর আগে আমি কখনো দেখিনি। আমাদের দলের সঙ্গে খেলার সময় হয়তো অনেক ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়ে থাকে। আমি বলব, দল হিসেবে এটা একটা অর্জন আমাদের। যে দল দিয়েছে, এটি আমাদের জন্য অনেক বড় একটা সুযোগ ওদের বিপক্ষে কত ভালো খেলতে পারি।
শান্ত আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ টেস্ট দল হিসেবে নিজেদের একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পেরেছে বলেই ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া এই সিরিজটিকে মোটেও হালকাভাবে নেয়নি।
তবে শক্তিশালী এই প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হওয়ার আগে বাংলাদেশ শিবিরে চোটের দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে। জিম্বাবুয়ে সিরিজের সময় ইনজুরিতে পড়েছেন ছন্দে থাকা তরুণ পেসার নাহিদ রানা। অন্যদিকে, দলের অন্যতম সেরা ব্যাটার লিটন দাসও ইনজুরির চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে থাকায় সিরিজে তার অংশগ্রহণ অনিশ্চিত। ইনজুরি ও দল ব্যবস্থাপনা নিয়ে অধিনায়ক শান্ত জানান, ফিজিও, ট্রেইনার এবং দলের ম্যানেজমেন্ট পুরো বিষয়টি তদারকি করছেন এবং এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তারাই নেবেন।

