ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান উরসুলা ফন ডের লেয়েন স্পষ্ট করেছেন যে, আর্কটিক অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার কেবল ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডের জনগণের। নুুকে ডেনিশ স্বায়ত্তশাসিত এই অঞ্চলের রাজধানীতে দুই দিনের সফর শেষে সোমবার তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, এই বিষয়ে অন্য কারো হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।
সফরকালে ইইউ প্রধান গ্রিনল্যান্ডের জন্য ২৩২ মিলিয়ন ডলার বা ২০০ মিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগের ঘোষণা দেন। এই অর্থ চলতি বছর এবং আগামী বছরের জন্য নতুন বিনিয়োগ হিসেবে গণ্য হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে গ্রিনল্যান্ডে সরাসরি সহায়তার পরিমাণ দ্বিগুণ করার পাশাপাশি এই নতুন প্যাকেজটি হাতে নেওয়া হয়েছে।
ইইউ-গ্রিনল্যান্ড পার্টনারশিপ প্যাকেজটি মূলত তিনটি কৌশলগত অগ্রাধিকারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি: কানেক্টিভিটি বা যোগাযোগ, পরিচ্ছন্ন শক্তি এবং গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল। এর আওতায় গ্রিনল্যান্ডের স্যাটেলাইট সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে, যা দ্বীপটির উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের ইন্টারনেট সুবিধা উন্নত করতে সহায়তা করবে।
ড্যানিশ প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন এবং গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেনস-ফ্রেডেরিক নিলসেনের সাথে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ফন ডের লেয়েন আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক বিষয়গুলোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, আঞ্চলিক অখণ্ডতা, সার্বভৌমত্ব এবং সীমানার অলঙ্ঘনীয়তা আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতি।
চলতি বছরের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতীয় নিরাপত্তার খাতিরে গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিলেন, যদিও পরবর্তীতে তিনি দ্বীপটি দখলের পরিকল্পনা থেকে সরে আসেন।

