তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানিয়েছেন, তার দেশ জাতীয় স্বার্থ রক্ষা, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা জোরদার এবং একটি অধিকতর ন্যায়সঙ্গত আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাবে। তুর্কি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'এনসোস্যাল'-এ দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের সাধারণ অধিবেশন চলাকালীন তুরস্কের ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতার কথা তুলে ধরেন ফিদান। তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের বিভিন্ন কর্মসূচির পাশাপাশি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা অসংখ্য দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জমায়েতে তুরস্কের সক্রিয় অংশগ্রহণ দেশটির শক্তিশালী কূটনৈতিক উপস্থিতির বহিঃপ্রকাশ।
হাকান ফিদান আরও বলেন, তুরস্কের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক কার্যক্রম বিভিন্ন অঞ্চলে তাদের প্রভাব এবং বিস্তৃত পরিসরে উদ্যোগ নেওয়ার সক্ষমতা প্রমাণ করেছে। বিশেষ করে ফিলিস্তিন ইস্যু, জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা, মধ্যস্থতা এবং অভিবাসনের মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তুরস্ক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এছাড়া তুরস্ক যে সিওপি৩১ (COP31) জলবায়ু সম্মেলনের আয়োজন করতে যাচ্ছে, সেই সম্মেলনের অগ্রাধিকারগুলোও আঙ্কারা ইতিমধ্যে নির্ধারণ করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তুরস্কের নেতৃত্বাধীন বিভিন্ন উদ্যোগ এবং সংকট নিরসনে আঙ্কারার প্রস্তাবিত শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রতি আন্তর্জাতিক মহলের আগ্রহ দেশটির ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক প্রভাবেরই প্রতিফলন বলে মনে করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের নেতৃত্বে তুরস্ক তার অধিকার ও স্বার্থ রক্ষা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আগের মতোই দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে।

