সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য নতুন নীতিমালা ঘোষণা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব তানিয়া ফেরদৌসের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন নির্দেশনার বিষয়টি মঙ্গলবার জানানো হয়েছে।
নতুন নীতিমালার তথ্য অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে ডিজিটাল লটারি পদ্ধতি অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। লটারির পুরো প্রক্রিয়াটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালনা করবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ভর্তি কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে এই লটারি অনুষ্ঠিত হবে। আবেদনের সময় একজন শিক্ষার্থী তার পছন্দক্রম অনুযায়ী সর্বোচ্চ পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচন করতে পারবে। তবে কোনো বিদ্যালয়ে যদি দুটি পালা (শিফট) থাকে, সেক্ষেত্রে উভয় পালায় পছন্দ দেওয়া হলে তা দুটি আলাদা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গণ্য হবে। একই প্রতিষ্ঠানে একাধিক আবেদন করলে সব আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।
দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণির ভর্তির ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে মেধা তালিকা অনুযায়ী শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। ভর্তি পরীক্ষার পূর্ণমান ও সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির জন্য ৫০ নম্বরের পরীক্ষায় সময় থাকবে এক ঘণ্টা, যার মধ্যে বাংলায় ১৫, ইংরেজিতে ১৫ এবং গণিতে ২০ নম্বর বরাদ্দ। ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির জন্য ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় সময় থাকবে দুই ঘণ্টা, যেখানে বাংলায় ৩০, ইংরেজিতে ৩০ এবং গণিতে ৪০ নম্বর থাকবে।
নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, লটারি বা পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকার পাশাপাশি শূন্য আসনের সমসংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়ে একটি অপেক্ষমাণ তালিকাও তৈরি করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে মূল তালিকার কেউ ভর্তি না হলে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ক্রমানুসারে শূন্য আসন পূরণ করা হবে। প্রতিটি বিদ্যালয়ের প্রধানরা ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের শূন্য আসনের সংখ্যা উল্লেখ করে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবেন।

