আইওয়া অঙ্গরাজ্যে রিপাবলিকান প্রার্থীদের জন্য সিনেট ও গভর্নর পদের নির্বাচনী লড়াই এখন বেশ হাড্ডাহাড্ডি পর্যায়ে পৌঁছেছে। সাফোক ইউনিভার্সিটির এক নতুন জরিপের তথ্য অনুযায়ী, যে অঙ্গরাজ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প গত তিনটি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন, সেখানে তার প্রতি ভোটারদের অসন্তোষ এই পরিস্থিতির অন্যতম কারণ।
গভর্নর পদে ডেমোক্র্যাটিক স্টেট অডিটর রব স্যান্ড ৪ শতাংশ ভোটের ব্যবধানে রিপাবলিকান ব্যবসায়ী জ্যাক ল্যানের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। জরিপ অনুযায়ী, স্যান্ড ৪৮ শতাংশ এবং ল্যান ৪৪ শতাংশ সমর্থন পাচ্ছেন। এছাড়া সিনেট নির্বাচনে রিপাবলিকান কংগ্রেসওম্যান অ্যাশলি হিনসন ৪ শতাংশ ব্যবধানে ডেমোক্র্যাটিক স্টেট রিপ্রেজেন্টেটিভ জশ টুরেকের চেয়ে এগিয়ে আছেন। এখানে হিনসন ৪৫ শতাংশ এবং টুরেক ৪১ শতাংশ সমর্থন পেয়েছেন।
বোস্টনের সাফোক ইউনিভার্সিটি পলিটিক্যাল রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক ডেভিড পেলিওগোস জানান, ২০২৪ সালে ট্রাম্প এই রাজ্যে ১৩ শতাংশের বেশি ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন। গত ২০ বছরে আইওয়াতে কোনো ডেমোক্র্যাট গভর্নর নির্বাচিত হননি এবং ১৮ বছরে কেউ সিনেটে জয়ী হননি। ২০-২৩ আগস্ট চালানো এই জরিপে ৫০০ জন সম্ভাব্য ভোটার অংশ নিয়েছেন এবং এর ত্রুটির হার প্লাস-মাইনাস ৪.৪ শতাংশ।
জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৩০ শতাংশ জানিয়েছেন, তাদের মূল অনুপ্রেরণা হলো বর্তমান জাতীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করা। এছাড়া ১০ শতাংশ প্রার্থীকে সমর্থন এবং ১৬ শতাংশ স্থানীয় ইস্যুকে প্রাধান্য দিয়েছেন। আইওয়া এখনো একটি রিপাবলিকান-প্রধান অঙ্গরাজ্য হলেও, কৃষি অর্থনীতিতে বাণিজ্য যুদ্ধের প্রভাব এবং সার ও জ্বালানির উচ্চমূল্য ভোটারদের ওপর প্রভাব ফেলছে।
জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্পের প্রতি আইওয়ার ভোটারদের ইতিবাচক ও নেতিবাচক মতামতের হার এখন প্রায় সমান, যেখানে ৪৮ শতাংশ ইতিবাচক এবং ৪৯ শতাংশ নেতিবাচক মত দিয়েছেন। রিপাবলিকানদের মধ্যে ১০ শতাংশ এবং স্বতন্ত্র ভোটারদের ৫১ শতাংশ তার প্রতি নেতিবাচক ধারণা পোষণ করেন। তুলনায়, বারাক ওবামার প্রতি এই অঙ্গরাজ্যের ভোটারদের সমর্থন সামান্য ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে।

