শারজাহতে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে পাত্তাই দেয়নি আফগানিস্তান। নূর আহমেদের ক্যারিয়ার সেরা বোলিং নৈপুণ্যে সফরকারীদের মাত্র ৭৯ রানে গুটিয়ে দিয়ে আফগানিস্তান ম্যাচটি জিতেছে সাত উইকেটে। এই জয়ের ফলে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজটি নিজেদের করে নিয়েছে স্বাগতিকরা। এটি গত ২৪ ম্যাচে আফগানিস্তানের ২২তম টি-টোয়েন্টি জয়।
ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন আফগানিস্তানের অধিনায়ক ইব্রাহিম জাদরান। শারজাহর পিচ কিছুটা ধীরগতির হলেও নতুন বলে ফজলহক ফারুকি ও আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের তোপে শুরু থেকেই চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। ফারুকি ইনিংসের প্রথম ওভারেই ইনোসেন্ট কাইয়াকে ফেরান। এরপর ওমরজাই ব্রায়ান বেনেটকে আউট করলে জিম্বাবুয়ের স্কোর দাঁড়ায় ৮ রানে ২ উইকেট। অভিষেক হওয়া আব্দুল্লাহ তারাকাইল তার দ্বিতীয় বলেই সিকান্দার রাজাকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান।
জিম্বাবুয়ের হয়ে রায়ান বার্ল কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। তিনি ২৯ বলে ৩০ রান করেন। তবে আম্পায়ারিং নিয়ে মাঠের ভেতরে বিতর্কও দেখা দেয়। বার্লের বিরুদ্ধে এলবিডব্লিউর একটি আবেদনে সাড়া না দেওয়ায় রশিদ খানের সঙ্গে তার উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। পরবর্তীতে আব্দুল্লাহ আহমাদজাইয়ের বলে বার্লকে এলবিডব্লিউ আউট দেওয়া হয়, যা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। তবে নূর আহমেদের ঘূর্ণির সামনে জিম্বাবুয়ের টেলএন্ডাররা দাঁড়াতেই পারেনি। নূর মাত্র ১৩ রান খরচ করে ৫ উইকেট শিকার করেন, যা তার ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ উইকেট প্রাপ্তি। জিম্বাবুয়ে ১৪.৩ ওভারে অলআউট হয়ে যায় ৭৯ রানে।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আফগানিস্তান মাত্র ৪৯ বলেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়। ওপেনার মোহাম্মদ আকরাম দ্রুত আউট হলেও সেদিউল্লাহ আতাল ও আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের ব্যাটে ভর করে আফগানিস্তান সহজ জয় তুলে নেয়। ওমরজাই ইনিংসের শেষ দিকে একটি বিশাল ছক্কা হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন। এই সিরিজ জয়ে আফগানিস্তান তাদের আধিপত্য বজায় রাখল এবং টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে বল বাকি থাকার দিক থেকে এটি তাদের দ্বিতীয় সেরা জয়।

