সৌদি প্রো লিগের ম্যাচে আল-আউয়াল পার্কে শুক্রবার, ২৮ আগস্ট আল-তাউনের মুখোমুখি হয়েছিল আল-নাসর। ম্যাচটিতে শুরুতে পিছিয়ে পড়লেও শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ‘নাইটস অব নাজম’ হিসেবে পরিচিত দলটি। ম্যাচের ১১তম মিনিটে বাসাম আল-হুরাইজি খুব কাছ থেকে গোল করে আল-তাউনকে এগিয়ে দেন। তবে প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ের পঞ্চম মিনিটে নতুন চুক্তিবদ্ধ স্যামু কোস্তা বক্সের বাইরে থেকে বল জালে জড়িয়ে সমতা ফেরান।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫০তম মিনিটে জয়সূচক গোলটি আসে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পা থেকে। জোয়াও ফেলিক্স বাঁ প্রান্ত দিয়ে দুর্দান্ত গতিতে দৌড়ে বক্সে বল বাড়ালে মোহাম্মদ সিমানকানের প্রচেষ্টায় রোনালদো চতুরতার সাথে বল জালে জড়িয়ে দেন। এই গোলের মাধ্যমে রোনালদো ২০২৩ সালে ক্লাবে যোগ দেওয়ার পর থেকে লিগে ১১০ ম্যাচে নিজের ১০৪তম গোলটি পূর্ণ করেছেন এবং ক্লাবের সর্বকালের শীর্ষ গোলদাতা হয়েছেন।
ম্যাচ শেষে রোনালদো বলেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এটি একটি বড় অর্জন, তবে এটি কেবল ক্রিশ্চিয়ানোর একার নয়। আমার সতীর্থদের ধন্যবাদ জানাই, কারণ তাদের ছাড়া এটি সম্ভব হতো না। ভক্তদের সমর্থনের জন্য আমি গর্বিত।”
ম্যাচে ১০ নম্বর পজিশনে খেলে জোয়াও ফেলিক্স অসাধারণ প্রভাব বিস্তার করেছেন। ফটমবের তথ্য অনুযায়ী, তিনি ম্যাচে যৌথভাবে সর্বোচ্চ চারটি সুযোগ তৈরি করেছেন। ২৬ বছর বয়সী এই তারকা দুটি শটের মধ্যে একটি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হন, দুটি ড্রিবলই সফলভাবে সম্পন্ন করেন এবং ছয়টি ডুয়েল জিতে নেন। মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে পাঁচ ম্যাচে এখন পর্যন্ত চারটি গোল ও তিনটি অ্যাসিস্ট করেছেন ফেলিক্স।
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে ভক্তরা ফেলিক্সের পারফরম্যান্সের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। একজন ভক্ত তাকে ‘জাদুকর’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। অন্য একজন সমর্থক লিখেছেন, “আশা করি সবাই জানে যে জোয়াও ফেলিক্সই এই ক্লাবকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে।” অন্য সমর্থকরাও তার ধারাবাহিকতা এবং প্রতিভার প্রশংসা করে তাকে দলের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বর্তমানে আল-নাসর চার ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে রয়েছে এবং আগামী ৫ সেপ্টেম্বর তারা আল-ইত্তিহাদের মুখোমুখি হবে।

