আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান তার সরকারের ২০২৬-২০৩১ মেয়াদের নতুন কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এই নথিতে প্রতিবেশী দেশ আজারবাইজান ও তুরস্কের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সংসদীয় বিতর্কের আগে উন্মোচিত এই কর্মসূচিতে আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকারের বিষয়গুলো বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
আজারবাইজানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে আর্মেনিয়া উভয় দেশের মধ্যকার সীমান্ত নির্ধারণের কাজ চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে। এছাড়া একটি শান্তি চুক্তি ও সংশ্লিষ্ট আইনি চুক্তির মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়টিও এই কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের ব্যবসায়ী সম্প্রদায় এবং সুশীল সমাজের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে আর্মেনিয়া আঙ্কারার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা এবং দুই দেশের মধ্যকার স্থল সীমান্ত খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এই লক্ষ্যে অন্তত দুটি আধুনিক সীমান্ত ক্রসিং পয়েন্ট চালু করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তুরস্ক ও আর্মেনিয়ার মধ্যে পরিবহন, জ্বালানি এবং ডিজিটাল অবকাঠামো পুনর্গঠন ও সম্প্রসারণের বিষয়টিও ওই নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আর্মেনিয়া তাদের পররাষ্ট্রনীতিতে 'ভারসাম্যপূর্ণ' অবস্থান বজায় রাখবে। প্রতিবেশী দেশ আজারবাইজান, তুরস্ক, জর্জিয়া এবং ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নকে বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

