শ্রীলঙ্কার নেতৃত্ব গ্রুপে আবারও ফিরেছেন চরিথ আসালঙ্কা। তিন মাস আগে ওয়ানডে অধিনায়কের পদ থেকে সরে যাওয়া এবং ছয় মাস আগে টি-টোয়েন্টি দল থেকে বাদ পড়ার পর, আসন্ন সেপ্টেম্বর মাসে ইংল্যান্ড সফরের জন্য তাকে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলের সহ-অধিনায়ক করা হয়েছে।
কুশল মেন্ডিস উভয় হোয়াইট-বল ফরম্যাটে দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবেন এবং কামিন্দু মেন্ডিস উভয় স্কোয়াডেই তার স্থান ধরে রেখেছেন। দলের নতুন মুখ হিসেবে লেগস্পিনার শচিন্দু কোলম্বাগেকে প্রথমবারের মতো দলে ডাকা হয়েছে। এদিকে, দীর্ঘ আড়াই বছর পর ওয়ানডে দলে ডাক পেয়েছেন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার দাসুন শানাকা। জানুয়ারি ২০২৪-এর পর এই প্রথম তিনি ওয়ানডে দলে ফিরলেন।
আসালঙ্কার দলে ফেরা শ্রীলঙ্কার টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে চারটি পরিবর্তনের একটি। তার সঙ্গে দলে যোগ দিয়েছেন লাহিরু উদারা, জানিথ লিয়ানাগে এবং থারিদু রত্নায়েকে। অন্যদিকে, টি-টোয়েন্টি দল থেকে বাদ পড়েছেন পাভান রত্নায়েকে, লাসিথ ক্রসপুলে, মিলন রত্নায়েকে এবং দিলশান মাদুশঙ্কা।
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএল) দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদেই আসালঙ্কা আবারও জাতীয় দলে জায়গা পেলেন। তিনি ১১ ইনিংসে ১৫৩.৩৮ স্ট্রাইক রেটে ৩৮৫ রান করেন এবং ফাইনালে ২০ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়ে দলকে শিরোপা জিততে সাহায্য করেন। লাহিরু উদারা এলপিএলের এই আসরে ৪৩৪ রান করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন। জানিথ লিয়ানাগে ১৬৯.৬৭ স্ট্রাইক রেটে ২০৭ রান করে নির্বাচকদের নজর কেড়েছেন। থারিদু রত্নায়েকে দলে সুযোগ পেয়েছেন তার ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি রেকর্ডের ভিত্তিতে, যেখানে তিনি ৯২টি উইকেট শিকার করেছেন।
ওয়ানডে দলের ক্ষেত্রে পরিবর্তনগুলো তুলনামূলকভাবে কম। শানাকার প্রত্যাবর্তন এবং কোলম্বাগের সম্ভাব্য অভিষেকই মূল আলোচনার বিষয়। মিলন এবং প্রমোদ মাদুশান ওয়ানডে দল থেকে বাদ পড়েছেন। ৩৪ বছর বয়সী শানাকা চলতি বছর ১৫টি টি-টোয়েন্টিতে ১৭১.১৩ স্ট্রাইক রেটে ৩৩২ রান করেছেন, যা তার ওয়ানডে দলে ফিরে আসার পথ প্রশস্ত করেছে। শচিন্দু কোলম্বাগে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার বিকল্প হিসেবে স্পিন আক্রমণে যোগ দেবেন।
শ্রীলঙ্কা ইংল্যান্ডের মাটিতে তিনটি টি-টোয়েন্টি ও তিনটি ওয়ানডে খেলবে। সফর শুরু হবে ১৫ সেপ্টেম্বর সাউদাম্পটনে প্রথম টি-টোয়েন্টি দিয়ে।

