উইমেন্স হান্ড্রেডের ইতিহাসে দ্রুততম হাফসেঞ্চুরি করার এক অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়েছেন ফিবি লিচফিল্ড। তার এই বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে এজবাস্টনে বার্মিংহাম ফিনিক্সকে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে সানরাইজার্স লিডস। জয়ের জন্য ১০৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩১ বল বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় সানরাইজার্স। এই দাপুটে জয়ে টুর্নামেন্টে টিকে থাকার আশা বাঁচিয়ে রাখল সানরাইজার্স লিডস। অন্যদিকে, এই হারের ফলে প্লে-অফের দৌড় থেকে ছিটকে গেল বার্মিংহাম ফিনিক্স, লন্ডন স্পিরিট এবং এমআই লন্ডন।
ম্যাচে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে শুরু থেকেই চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বার্মিংহাম ফিনিক্স। টপ অর্ডারের ব্যর্থতার পর এলিস পেরির ২২ বলে ৩১ রানের ইনিংসটি তাদের কিছুটা স্বস্তি দেয়। ইনিংসের শুরুতেই লং-অনে অ্যানাবেল সাদারল্যান্ডের হাতে জীবন পেয়েছিলেন পেরি। তবে জেস জোনাসেনের বলে লিচফিল্ডের হাতে ক্যাচ দিয়ে শেষ পর্যন্ত সাজঘরে ফেরেন তিনি। ফিনিক্সের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৭ রান করেন এমা ল্যাম্ব। কিন্তু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকায় কোনো বড় জুটি গড়ে ওঠেনি। শেষ ২০ বলে মাত্র ১৮ রান তুলতেই ৫টি উইকেট হারিয়ে ১০০ বলে ৯ উইকেটে ১০৭ রানেই থমকে যায় স্বাগতিকদের ইনিংস।
সানরাইজার্সের বোলাররা পুরো ইনিংস জুড়েই প্রতিপক্ষকে চেপে ধরে রেখেছিলেন। কেট ক্রস তুলে নেন ২টি উইকেট। এছাড়া দীপ্তি শর্মা মাত্র ১১ রান দিয়ে শিকার করেন ৩টি উইকেট। সাদারল্যান্ড ও জোনাসেনও দুর্দান্ত ইকোনমি রেট বজায় রেখে বল করেন, যার ফলে ব্যাটিং সহায়ক উইকেটেও বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারেনি ফিনিক্স।
১০৮ রানের মামুলি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সানরাইজার্স লিডসের ব্যাটার ফিবি লিচফিল্ড শুরু থেকেই চড়াও হন বোলারদের ওপর। রিভার্স সুইপ আর সুইচ-হিটের পসরা সাজিয়ে মাঠের চারদিকে চার-ছক্কার বৃষ্টি নামান তিনি। মাত্র ৩৩ বলে ৭১ রান করে অপরাজিত থাকেন লিচফিল্ড, যার মধ্যে ছিল টুর্নামেন্টের ইতিহাসের দ্রুততম অর্ধশতক। ওপেনার ব্রায়োনি স্মিথ দ্রুত বিদায় নেওয়ার পর লরেন উইনফিল্ড-হিলকে সঙ্গে নিয়ে সানরাইজার্সকে অনায়াস জয় এনে দেন লিচফিল্ড। শেষ পর্যন্ত ১০০ বলের এই ম্যাচে ৬৯ বলে ১ উইকেট হারিয়ে ১১১ রান তুলে জয় নিশ্চিত করে সানরাইজার্স লিডস।

