উত্তর গ্রিসের একটি ডিটেনশন সেন্টারে অভিবাসীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই সংঘর্ষের সময় ডিটেনশন সেন্টারের নিরাপত্তা বেড়া কেটে ৩৫ জন অভিবাসী পালিয়ে যান। তবে কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে তাদের মধ্যে ১৭ জনকে পুনরায় আটক করতে সক্ষম হয়েছে। এখনো বাকি ১৮ জনের সন্ধানে তল্লাশি অভিযান চলছে।
ঘটনাটি ঘটেছে সিনতিকি এলাকার একটি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে, যা বুলগেরিয়া সীমান্ত থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। শনিবার দিবাগত রাতে অভিবাসীরা দায়িত্বরত রক্ষীদের লক্ষ্য করে পাথর ছুড়লে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এরপরই পুলিশ অতিরিক্ত সদস্যদের তলব করে। সংঘর্ষের সময় পুলিশ বিশেষ বাহিনী ফ্ল্যাশ গ্রেনেড ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। রবিবার ভোরের দিকে সংঘর্ষ থামে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
এই আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৪৫০ জন অভিবাসী রয়েছেন। মূলত এসাইলাম বা আশ্রয়ের আবেদন প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতার কারণে তাদের এই কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। সংঘর্ষে পাঁচজন অভিবাসী আহত হয়েছেন, যাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ইউরোপে প্রবেশের অন্যতম প্রধান পথ হলো গ্রিস। দেশটিতে অভিবাসন একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ইস্যু হিসেবে বিবেচিত হয়। গ্রিসের বর্তমান রক্ষণশীল সরকার তাদের অভিবাসন নীতিকে আরও কঠোর করার উদ্যোগ নিয়েছে।

