নেপালে সাম্প্রতিক আকস্মিক বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে দুর্যোগের এই প্রাথমিক পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট হিসাব নিয়ে সতর্ক অবস্থান বজায় রেখেছেন তিনি।
এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা এরই মধ্যে আর্থিক ও ত্রাণ সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। যুক্তরাজ্য সরকার পরিস্থিতিকে অত্যন্ত মর্মান্তিক ও ধ্বংসাত্মক হিসেবে বর্ণনা করেছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ৫০ লাখ পাউন্ড সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন।
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেইন জীবনরক্ষাকারী মানবিক সহায়তার জন্য ২০ লাখ ইউরো প্রদানের ঘোষণা দিয়েছেন। এছাড়া কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আনন্দ জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতার জন্য ৫০ লাখ কানাডীয় ডলার সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যা জাতিসংঘ, রেড ক্রস এবং বিভিন্ন এনজিওর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে পৌঁছানো হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, তারা জরুরি আশ্রয়, পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার মতো ত্রাণসামগ্রী সরবরাহের জন্য ৫ লাখ ডলার সহায়তা প্রদান করবে। প্রতিবেশী দেশ ভারতও ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রেখেছে। শুক্রবার কাঠমান্ডুতে ভারতের পাঠানো ত্রাণের তৃতীয় বিমানটি পৌঁছেছে। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, এই বিমানে ১০ টন মানবিক সহায়তার পাশাপাশি ১১ সদস্যের একটি চিকিৎসা ও টানেল উদ্ধারকারী দল রয়েছে।
চীনও নেপালকে জরুরি ত্রাণসামগ্রী এবং নগদ সহায়তা পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত।

