উস্টারশায়ারের নিউ রোডে আয়ারল্যান্ডকে ১১৪ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে জিতে নিয়েছে ইংল্যান্ড। প্রথমে ব্যাট করার আমন্ত্রণ পেয়ে ইংল্যান্ড নির্ধারিত ৫০ ওভারের কিছুটা আগেই ২৯১ রানে অলআউট হয়।
ইংল্যান্ডের ইনিংসের মূল ভিত্তি গড়ে দেন সোফিয়া ডাঙ্কলি। ১১৯ বলে ১৫টি চারের মারে ১১৯ রান করে তিনি ম্যাচসেরার পুরস্কার অর্জন করেন। ওপেনার মায়া বুশিয়ে ৩৯ রানের একটি ভালো শুরু এনে দেন। এরপর ডাঙ্কলি ও জোডি গ্রিউকক দ্বিতীয় উইকেটে ১১০ রানের জুটি গড়েন, যেখানে গ্রিউকক করেন ৩৫ রান। ডাঙ্কলি ৩৬তম ওভারে আউট হওয়ার সময় দলীয় সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ২১৪ রান। এরপর ড্যানিয়েল গিবসন ৩৭ বলে ৪১ এবং ফ্রেয়া কেম্প ২৩ রান যোগ করলে ইংল্যান্ড বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে যায়। আয়ারল্যান্ডের পক্ষে কারা মারে ৫৬ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আয়ারল্যান্ড শুরুটা ইতিবাচক করলেও পঞ্চম ওভারে অধিনায়ক গ্যাবি লুইসকে ১৬ রানে হারায়। এরপর অ্যালিস টেক্টর ও অ্যামি হান্টার দ্বিতীয় উইকেটে ৫৬ রানের জুটি গড়েন, যা ছিল তাদের ইনিংসে সর্বোচ্চ। টিলি কর্টিন-কোলম্যান ২০তম ওভারে টেক্টরকে বোল্ড করলে এই জুটি বিচ্ছিন্ন হয়। হান্টার এরপর ওরলা প্রেন্ডারগাস্টের সাথে ২৭ রানের জুটি গড়েন। নিজের ৫০তম ওয়ানডে খেলা প্রেন্ডারগাস্ট রেবেকা স্টকেলের সাথে ২০ রানের আরেকটি জুটি গড়েন, কিন্তু ম্যাডি ভিলিয়ার্সের বলে তিনি আউট হয়ে যান। ভিলিয়ার্স এই ম্যাচে দুই উইকেট পান। শেষ দিকে লুইস লিটল ও লিয়া পল দ্রুত ৩৪ রান যোগ করলেও জয়ের জন্য তা যথেষ্ট ছিল না।
ইংল্যান্ডের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে শেষ চারটি জুটি মাত্র ৪, ০, ৪ ও ২ রান যোগ করতে পারে। শেষ পর্যন্ত আয়ারল্যান্ড ৪৪.২ ওভারে ১৭৭ রানে অলআউট হয়। ইংল্যান্ডের হয়ে লরেন ফিলার ও ম্যাডি ভিলিয়ার্স তিনটি করে উইকেট নেন। এই ম্যাচটি আয়ারল্যান্ডের আরলিন কেলির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ ছিল।

