প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০: ০৯। সরকারি চাকরিতে ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে ভাইভার নম্বর ৪০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি এবং লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর কমানোর নতুন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড় থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিলটি বের করেন। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকের সামনে গিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশে রূপ নেয়।
বিক্ষোভকালে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন, যার মধ্যে ছিল ‘ভাইভার নামে বাণিজ্য, চলবে না চলবে না’, ‘নিয়োগ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘কোটা গেছে যে পথে, ভাইভা যাবে সে পথে’, ‘ভাইভা কোটার বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘ভিক্ষা লাগলে ভিক্ষা নে, মেধাবীদের মুক্তি দে’ এবং ‘তারেক সরকারের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন’ ইত্যাদি।
সমাবেশে ইবি শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির সদস্যসচিব ইফতেহার উদ্দিন মো. তামিম বলেন, সরকার নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত নম্বর কমিয়ে ভাইভার নম্বর বাড়িয়েছে, যার মূল উদ্দেশ্য স্বজনপ্রীতি, দলীয় নিয়োগ এবং নিয়োগ বাণিজ্য। তিনি শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি না খেলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে এমন চেষ্টা করেছিলেন, এখন আপনাদের হাতে সিদ্ধান্ত কোথায় আপনারা অবস্থান করবেন। তিনি অবিলম্বে এই আইন বাতিলের দাবি জানান।
ইবি শাখা ইসলামী ছাত্রআন্দোলন বাংলাদেশের সভাপতি ইসমাইল হোসেন রাহাত বলেন, বিএনপি সরকার শিক্ষার্থীদের ম্যান্ডেটের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো আইন পাস করবে বলে আমরা মনে করি না, তবে তা হলে সেটি হবে চরম বোকামি। তিনি উল্লেখ করেন, অর্থের বিনিময়ে চাকরি দেওয়া হলে মেধাবীদের ক্ষতি হয় এবং একজন গ্র্যাজুয়েট কৃষকের ছেলে যেন টাকার অভাবে পুনরায় কৃষিকাজে ফিরতে বাধ্য না হয়, সেই দাবি জানান। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা সরকারের শক্তি ও সহযোগী, তাদের যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারলে সরকার দেশটিকে সোনায় সোহাগা করে সাজাতে পারবে।

