২০২৫-২৬ মৌসুম শেষে ফিওরেন্তিনার প্রধান কোচের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানো ভ্যানোলি পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণের পর ভেনেজিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামেন। তোরিনোর কাছে গত সপ্তাহের হারের পর তিনি দলের শুরুর একাদশে বড় পরিবর্তন আনেন। রক্ষণভাগে পাঁচটি পরিবর্তন আনার পাশাপাশি এভারটন থেকে দলভুক্ত হওয়া বেতোকে তার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ম্যাচে মাঠে নামান ভ্যানোলি।
ম্যাচের শুরু থেকেই ফিওরেন্তিনা অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে। বেতো, মাস্তানতুও, অ্যালেক্স হিমেনেজ এবং চের এনডোর শুরুতেই গোল করার বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করেন। ম্যাচের ২২তম মিনিটে আকোর অ্যাডামস ভেনেজিয়াকে এগিয়ে দেন। তবে ২৯তম মিনিটে অ্যালেক্স হিমেনেজের সহায়তায় ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুও গোল করে সমতা ফেরান। এর ঠিক এক মিনিট পরেই বেতোর পাস থেকে মাস্তানতুও তার দ্বিতীয় গোলটি করে দলকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন। প্রথমার্ধে ভেনেজিয়া রক্ষণভাগে ভুল করলে মাস্তানতুও গোল করার সুযোগ পান এবং দ্বিতীয় গোলটি করেন।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ভেনেজিয়া সমতায় ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালায় এবং প্রথম ১৫ মিনিট ফিওরেন্তিনার ওপর বেশ চাপ সৃষ্টি করে। তবে ৬৬তম মিনিটে নিকোলো ফাজিওলির বাড়ানো বলে বদলি খেলোয়াড় মাতেও পেলেগ্রিনো গোল করে ব্যবধান ৩-১ করেন। ম্যাচের শেষ ১০ মিনিটে মাস্তানতুও তার হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। চের এনডোরের বাড়ানো বলটি গোলরক্ষক স্তানকোভিচের গায়ে লেগে মাস্তানতুওর মুখে আঘাত করে জালে জড়িয়ে যায়, যার ফলে স্কোরলাইন ৪-১ হয়।
ম্যাচের একেবারে শেষ দিকে ভেনেজিয়া একটি গোল শোধ করে। ৮৬তম মিনিটে রিজসিয়ানো হ্যাপসের ক্রসে অঁতোয়ান এনোর চমৎকার ভলিতে গোল করেন। এই জয়ে ফিওরেন্তিনা তাদের মৌসুমে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিল। ম্যাচের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ফিওরেন্তিনা ১৯টি শট নিয়েছে যার মধ্যে ১০টি লক্ষ্যে ছিল, অন্যদিকে ভেনেজিয়া ১১টি শট নিয়ে ৪টি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়।

