ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ হারের দুঃস্মৃতির রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন এক শাস্তির মুখোমুখি হলো পাকিস্তান। এজবাস্টনে অনুষ্ঠিত সিরিজের শেষ টেস্টে স্লো ওভার রেট বা ধীরগতির বোলিংয়ের জন্য আইসিসি পাকিস্তানকে বড় ধরনের জরিমানা করেছে। এই টেস্টে পাকিস্তান আট উইকেটে পরাজিত হয়েছিল।
ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ওভার শেষ করতে ব্যর্থ হওয়ায় আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লিউটিসি) চলমান চক্র থেকে পাকিস্তানের ১১ পয়েন্ট কেটে নিয়েছে। পয়েন্ট কাটার পাশাপাশি দলের প্রত্যেক খেলোয়াড়কে তাদের ম্যাচ ফির ৫০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে। এজবাস্টনে প্রথম বোলিং ইনিংসের সময় নির্ধারিত সময়ের সব ছাড় দেওয়ার পরও পাকিস্তান ১১ ওভার পিছিয়ে ছিল।
আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্লেয়িং কন্ডিশনের ১৬.১১.২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রতিটি ওভার কম হওয়ার জন্য এক পয়েন্ট করে কাটা হয়। এছাড়া খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফদের জন্য আইসিসি আচরণবিধির ২.২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রতিটি ওভারের জন্য ম্যাচ ফির পাঁচ শতাংশ জরিমানা করার নিয়ম রয়েছে, যার সর্বোচ্চ সীমা ৫০ শতাংশ পর্যন্ত নির্ধারিত।
পাকিস্তানের জন্য এই সফরটি ছিল অত্যন্ত অস্থিরতায় ভরা। লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টের পর সাতজন খেলোয়াড়কে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদকেও দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং বার্মিংহামে সাদা বলের কোচ মাইক হেসন অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
ডব্লিউটিসি পয়েন্ট টেবিলের একদম তলানিতে থাকা পাকিস্তানের পয়েন্ট শতাংশ এখন ৪.৬৩। চার সিরিজের নয়টি টেস্ট শেষে তাদের এই পয়েন্টের অবস্থা কার্যত তাদের ফাইনাল খেলার ক্ষীণ আশাকেও শেষ করে দিয়েছে। আগামী নভেম্বরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজ খেলবে পাকিস্তান এবং এরপর ২০২৭ সালে নিউজিল্যান্ডের তাদের দেশ সফর করার কথা রয়েছে।

