দেশ গঠনে ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে নাগরিক পরিচয়ই মুখ্য: প্রধানমন্ত্রী

আগামী দিনে বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রামে ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশ গঠনে ধর্মীয় পরিচয় নয়, বরং বাংলাদেশের নাগরিক পরিচয়ই প্রধান বিবেচ্য হবে। রোববার রাতে রাজধানীর মহাখালী, গুলশান ও বনানীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী প্রথমে রাজধানীর মহাখালী রক্ষাকালী মন্দিরের পূজামণ্ডপে যান এবং সেখানে পূজা উদ্‌যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরবর্তীতে তিনি বনানীর পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন এবং সেখানে উপস্থিত পূজারি ও দর্শনার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

দেশের বিভিন্ন সংগ্রামের ইতিহাস স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের ময়দানে কে কোন ধর্মের মানুষ, তা বিবেচনা করা হয়নি। দেশকে ভালোবেসে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সম্প্রদায় একযোগে লড়াই করে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছেন। একইভাবে স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে যখনই গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়েছে, তখনই জনগণ ভোটাধিকার ও কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজপথে নেমেছেন এবং সেসব আন্দোলনেও মানুষের ধর্মীয় পরিচয় ঐক্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সেদিন দলমত নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার নারী-পুরুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। কে কোন ধর্মের, তা না দেখে সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আন্দোলন সফল করেছিলেন। তিনি বলেন, দেশকে স্বাধীন করতে ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে যেমন ধর্ম বা জাত দেখা হয়নি, ঠিক একইভাবে আগামী দিনে দেশ গড়ার সংগ্রামেও ধর্ম দেখা হবে না, কেবল দেখা হবে কে এই দেশের নাগরিক।

নাগরিকদের সমান অধিকারের বিষয়টি জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমাদের কাছে সবচেয়ে বড় পরিচয়, আমরা সবাই বাংলাদেশের মানুষ। এ দেশের ওপর আপনার যেমন অধিকার আছে, আমারও তেমন অধিকার আছে।" সেই অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে প্রতিটি ধর্ম ও পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার আহ্বান জানান তিনি। হাজার বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য অনুযায়ী এ দেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করে আসছে উল্লেখ করে তিনি আশা ব্যক্ত করেন, ভবিষ্যতেও এই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় থাকবে এবং আগামী হাজার বছরও যেন সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে শান্তিতে বসবাস করতে পারে, সেটিই সবার প্রত্যাশা হওয়া উচিত।

শিরোনাম :
ভোটের ফলাফল যাই হোক, আলবার্টার স্বাধীনতা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা পিএসসি দলীয়করণের অপচেষ্টা জুলাই অভ্যুত্থানের পরিপন্থি: ছাত্রশিবির লিডসের সাথে ড্রয়ের পর ব্রুনো ফার্নান্দেসকে নিয়ে হতাশ ম্যানইউ সমর্থকরা যুক্তরাষ্ট্রের ভুল পথে চলা নিয়ে হতাশ অধিকাংশ মার্কিনি সালমান আগার শতকে ত্রিদেশীয় সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচে পাকিস্তানের জয় আগামী মাসে শুরু হচ্ছে ওয়াশিংটনের ঐতিহাসিক গলফ কোর্সের সংস্কার কাজ দেশ গঠনে ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে নাগরিক পরিচয়ই মুখ্য: প্রধানমন্ত্রী গাজায় ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার ৭৫ জনের মরদেহ দাফন প্রায় তিন মাস পর ডাব্লিউডাব্লিউই রিঙে ফিরলেন সাবেক চ্যাম্পিয়ন রুসেভ বাংলাদেশ নারী টি-টোয়েন্টি দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা আক্তার ভোটের ফলাফল যাই হোক, আলবার্টার স্বাধীনতা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা পিএসসি দলীয়করণের অপচেষ্টা জুলাই অভ্যুত্থানের পরিপন্থি: ছাত্রশিবির লিডসের সাথে ড্রয়ের পর ব্রুনো ফার্নান্দেসকে নিয়ে হতাশ ম্যানইউ সমর্থকরা যুক্তরাষ্ট্রের ভুল পথে চলা নিয়ে হতাশ অধিকাংশ মার্কিনি সালমান আগার শতকে ত্রিদেশীয় সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচে পাকিস্তানের জয় আগামী মাসে শুরু হচ্ছে ওয়াশিংটনের ঐতিহাসিক গলফ কোর্সের সংস্কার কাজ দেশ গঠনে ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে নাগরিক পরিচয়ই মুখ্য: প্রধানমন্ত্রী গাজায় ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার ৭৫ জনের মরদেহ দাফন প্রায় তিন মাস পর ডাব্লিউডাব্লিউই রিঙে ফিরলেন সাবেক চ্যাম্পিয়ন রুসেভ বাংলাদেশ নারী টি-টোয়েন্টি দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা আক্তার