ইতালির ফুটবলে নতুনত্ব আনার লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির ফুটবল ফেডারেশন (এফআইজিসি)। চেলসি, পারমা ও ক্যাগলিয়ারির সাবেক তারকা ফুটবলার জিয়ানফ্রাঙ্কো জোলাকে ইতালির যুব ফুটবলের সমন্বয়ক (ইয়ুথ কো-অর্ডিনেটর) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এফআইজিসি সভাপতি জিওভান্নি মালাগো এই খবর নিশ্চিত করেছেন। রবার্তো মানচিনি ও ক্লাউদিও রানিয়েরির সঙ্গে যুক্ত হয়ে ইতালির ফুটবলকে পুনরুজ্জীবিত করতে কাজ করবেন জোলা।
গত সপ্তাহে নতুন কোচ মানচিনি এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর রানিয়েরির নাম ঘোষণার সময় ফেডারেশন প্রধান জানিয়েছিলেন, জাতীয় দলের এই নতুন যাত্রায় তৃতীয় একজন ব্যক্তি যুক্ত হবেন। অবশেষে সেই তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে জোলার নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হলো। ইতালির অনূর্ধ্ব-২১ দল পর্যন্ত সব একাডেমি ও যুব কার্যক্রমের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।
এফআইজিসি সভাপতি জিওভান্নি মালাগো সংবাদ সংস্থা আনসাকে বলেন, "আমি এবং রানিয়েরি জোলাকে প্রবলভাবে চেয়েছিলাম। লেগা প্রো-এর সভাপতি মাত্তেও মারানির সঙ্গে আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে জোলা লেগা প্রো-এর সহ-সভাপতির পদেও বহাল থাকবেন।" ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ইতালির তৃতীয় স্তরের লিগ 'লেগা প্রো'-এর সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন জোলা।
জোলার প্রশংসা করে মালাগো আরও বলেন, "জোলার ব্যক্তিত্ব, তার প্রস্তুতি এবং লেগা প্রো-তে তরুণ খেলোয়াড়দের সহায়তায় গত কয়েক বছরে তার প্রচেষ্টা আমাদের ভবিষ্যৎ গড়ার সবচেয়ে বড় ভিত্তি।"
এদিকে, সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে ক্লাউদিও রানিয়েরি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছিলেন, তরুণ ফুটবলারদের একাডেমিগুলো কেন সাধারণ পরিবারের জন্য এত ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে, তা তিনি খতিয়ে দেখতে চান। কারণ অতিরিক্ত খরচের কারণে অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় অতীতে ক্যারিয়ারে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
খেলোয়াড়ি জীবন শেষে জোলার একটি সংক্ষিপ্ত কোচিং ক্যারিয়ারও রয়েছে। তিনি ওয়েস্ট হ্যাম ইউনাইটেড, ওয়াটফোর্ড, ক্যাগলিয়ারি, আল-আরাবি এবং বার্মিংহাম সিটির ডাগআউট সামলেছেন। সর্বশেষ ২০১৮-১৯ মৌসুমে চেলসিতে মাউরিজিও সারির সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করেছিলেন তিনি।

