চেলসির বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়ের পর জুভেন্টাসের পারফরম্যান্স নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কোচ লুসিয়ানো স্পালেত্তি। হংকংয়ে অনুষ্ঠিত এই প্রীতি ম্যাচে দলের রক্ষণভাগ ও আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের মানসিকতায় তিনি বেশ সন্তুষ্ট। স্পালেত্তি জানান, চাপের মুখেও দল যেভাবে ঐক্যবদ্ধ ছিল এবং পাল্টা আক্রমণে নিজেদের সামর্থ্য দেখিয়েছে, তা ছিল এই ম্যাচের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। চেলসির মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে কোনোভাবেই নতি স্বীকার না করার মানসিকতা দলের জন্য জরুরি ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ম্যাচে এদোন জেগ্রোভার করা একমাত্র গোলটি জুভেন্টাসকে জয় এনে দেয়। স্পালেত্তি জেগ্রোভার পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে বলেন, গোলটি দুর্দান্ত ছিল এবং পুরো ম্যাচজুড়ে তার মনোভাব ছিল দেখার মতো। কিছু জায়গায় বল হারালেও, নিজের পায়ে বল থাকার সময় সে তার সামর্থ্যের পরিচয় দিয়েছে। খেলোয়াড়দের প্রতিনিয়ত উন্নতির মানসিকতা বজায় রাখার ওপর জোর দেন তিনি।
দলের তরুণ তুর্কি কেনান ইলদিজ দীর্ঘ সময় ধরে হাঁটুর সমস্যায় ভুগছিলেন। তাকে নিয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ক্লাব। স্পালেত্তি জানান, ইলদিজের খেলার সময়সীমা নিয়ন্ত্রিত রাখা হচ্ছে যাতে সে দ্রুত পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠে। বর্তমানে সে ব্যথা অনুভব করছে না এবং স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছে, যা দলের জন্য একটি ভালো দিক।
জোনাথন ডেভিডকে দ্বিতীয়ার্ধে নামানোর মাত্র ৩০ মিনিটের মাথায় তুলে নেওয়া নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে কিছুটা বিস্ময় থাকলেও, স্পালেত্তি একে কৌশলগত সিদ্ধান্ত হিসেবেই দেখছেন। আগস্ট মাস হওয়ায় খেলোয়াড়দের পর্যায়ক্রমে মাঠে নামানো এবং কৌশলগত পরিবর্তন করাটা জরুরি বলে তিনি ব্যাখ্যা করেন। তিনি আরও জানান, ডেভিডকে সেই মুহূর্তে এর চেয়ে বেশি সময় খেলানো সম্ভব ছিল না এবং খেলা যখন প্রাণবন্ত ছিল তখনই তাকে ব্যবহার করাটা তিনি শ্রেয় মনে করেছেন।
র্যান্ডাল কোলো মুয়ানি ও কেরিম আলাজবেগোভিচ যথাক্রমে প্যারিস সেন্ট-জার্মেই ও বায়ার লেভারকুসেন থেকে সপ্তাহান্তে দলে যোগ দিয়েছেন। তবে আরও নতুন খেলোয়াড় দলে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। স্পালেত্তি বলেন, ক্লাবের সাথে তার যোগাযোগ অত্যন্ত ভালো এবং তারা সেরা ফলাফল পেতে কাজ করে যাচ্ছেন।

