শ্রীলঙ্কান পেশাদার ক্রিকেটারদের জন্য একটি স্বতন্ত্র ও সম্মিলিত কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করার লক্ষ্যে নতুন একটি সংগঠন যাত্রা শুরু করেছে। শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে শ্রীলঙ্কান প্রফেশনাল ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন (এসএলপিসিএ) গঠিত হয়েছে, যার প্রথম সভাপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন পুরুষ দলের সাদা বলের অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস। এই উদ্যোগের পেছনে নারী দলের অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু এবং অলরাউন্ডার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার মতো তারকারা জোরালো সমর্থন দিয়েছেন।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে ইতিবাচক সংস্কার ও পরিবর্তনের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এসএলপিসিএ-এর আত্মপ্রকাশ ঘটল। ঘরোয়া কাঠামো আধুনিকায়ন ও শাসনব্যবস্থা শক্তিশালী করতে ট্রান্সফরমেশন কমিটির কাজের পাশাপাশি একটি সুসংগঠিত খেলোয়াড় কণ্ঠস্বর আধুনিক ও সহযোগী খেলার পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এসএলপিসিএ সরাসরি বিশ্ব ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডব্লিউসিএ)-এর সাথে যুক্ত থাকবে। ঐতিহাসিকভাবে শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটাররা ডব্লিউসিএ-এর আন্তর্জাতিক প্রোগ্রাম, কল্যাণমূলক নিরাপত্তা ও বিশ্বব্যাপী খেলোয়াড়দের অ্যাডভোকেসি নেটওয়ার্ক থেকে বঞ্চিত ছিলেন। এই নতুন সংগঠনের মাধ্যমে ভারত ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলোর চেয়ে আলাদা হয়ে শ্রীলঙ্কা এখন অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের মতো সফল খেলোয়াড় সংগঠনের আদলে কাজ করবে। এর আগে ২০০১ সাল থেকে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন থাকলেও সেটি মূলত অবসরপ্রাপ্ত খেলোয়াড়দের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ছিল এবং বোর্ড-নির্ভর চাপের মুখে থাকার অভিযোগ ছিল।
এসএলপিসিএ-এর এই নতুন কাঠামোয় নারী ও পুরুষ ক্রিকেটাররা সমান গুরুত্ব পাচ্ছেন। সভাপতি কুশল মেন্ডিস জানিয়েছেন, তারা শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট, ট্রান্সফরমেশন কমিটি এবং অন্যান্য অংশীজনদের সাথে গঠনমূলকভাবে কাজ করতে আগ্রহী। এছাড়া চামারি আতাপাত্তু এই উদ্যোগকে একটি মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যিনি চলতি বছরের শুরুতে ডব্লিউসিএ প্লেয়ার অ্যাডভাইজরি বোর্ডেও জায়গা করে নিয়েছেন।

