ডিজিএফআইয়ের আয়নাঘরে ২৬টি নির্জন সেল পরিদর্শন করলেন বিচারকরা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তিন বিচারক ডিজিএফআইয়ের কুখ্যাত বন্দিশালা জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি) বা আয়নাঘর পরিদর্শন করেছেন। শনিবার দুপুরে এই পরিদর্শনে নেতৃত্ব দেন ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার। তার সঙ্গে ছিলেন ট্রাইব্যুনালের দুই সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। বিচারিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রসিকিউশনের সদস্যরা, যার মধ্যে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এমএইচ তামীম, ফারুক আহাম্মদ, শাইখ মাহদী, সহিদুল ইসলাম সরদার ও তাসমিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও এই পরিদর্শনে অংশ নেন।

প্রসিকিউশন নিশ্চিত করেছে যে, এই আয়নাঘরে মোট ২৬টি নির্জন কক্ষ বা সেল রয়েছে। ঢাকা সেনানিবাসের অভ্যন্তরে কাফরুল থানাধীন এলাকায় ডিজিএফআইয়ের প্রধান কার্যালয় এবং মেস-বির মধ্যবর্তী একটি পুরোনো দোতলা ভবনের নিচতলায় এই বন্দিশালা অবস্থিত। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এখানে থাকা সেলগুলোর মধ্যে কিছু ১৬ ফুট বাই ৬ ফুট এবং কিছু ১২ ফুট বাই ৮ ফুট আকারের। দেয়ালগুলো সিমেন্ট দিয়ে এবড়োথেবড়ো করে নির্মিত এবং বড় দুটি সেল 'ভিআইপি সেল' হিসেবে পরিচিত। এসব সেলে কোনো জানালা নেই, তবে কিছু সেলে এক্সহস্ট ফ্যান ও লোহার শিকের দরজার সঙ্গে কাঠের দরজা রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এখানে দুটি সাউন্ডপ্রুফ বিশেষ কক্ষও ছিল, যা নির্যাতনের বিভিন্ন উপকরণের মাধ্যমে সজ্জিত থাকতো। বর্তমানে জেআইসির বাইরে 'করোনা আইসোলেশন সেন্টার' লেখা একটি সাইনবোর্ড দেখা যায়।

তৎকালীন হাসিনা সরকারের নির্দেশে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এই বন্দিশালায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও ইসলামপন্থীদের আইনবহির্ভূতভাবে বছরের পর বছর আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতন চালানো হতো। ব্রিগেডিয়ার আবদুল্লাহিল আমান আজমী, লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিনুর রহমান ও হুমাম কাদের চৌধুরীকে এখানে দীর্ঘ সময় বন্দি রাখা হয়েছিল। জুলাই বিপ্লবের পর হাসিনার পতনের প্রেক্ষাপটে ২৬ জন ভুক্তভোগী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেন। বর্তমানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হাসিনা এবং সাবেক ও বর্তমান ১২ সেনা কর্মকর্তার বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এ চলমান রয়েছে, যার মধ্যে ৩ জন সেনা কর্মকর্তা বর্তমানে গ্রেপ্তার আছেন।

প্রকাশ : ০৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩: ০৮আপডেট : ০৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩: ১৯

মূলত তৎকালীন হাসিনা সরকারের নির্দেশে ২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত সামরিক বাহিনীর বিপথগামী সদস্যরা দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও ইসলামপন্থীদের এই বন্দিশালায় এনে আইনবহির্ভূতভাবে বছরের পর বছর আটক রেখে নির্যাতন চালায়। জুলাই বিপ্লবে হাসিনার পতন হলে, ২৬ জন ভুক্তভোগী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করেন। বর্তমানে এই গুম ও নির

শিরোনাম :
ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতি সত্যি হলো: ওয়াশিংটনের আতশবাজি প্রদর্শনীতে বিশ্বরেকর্ড ডাবলিনে পড়াশোনা ও ভালোবাসার গল্প: একটি পাজামার উপহার বদলে দিল ভবিষ্যৎ হরমুজ প্রণালী নিয়ে ওমানের সঙ্গে আলোচনা ইতিবাচক হলেও এখনই খুলছে না: ইরান শ্রীলঙ্কা সফরের প্রস্তুতি ম্যাচে দেবদূত পাডিক্কালের অপরাজিত ১৪২ রান বুলগেরিয়া সীমান্তে ড্রোন বিস্ফোরণ: ইচ্ছাকৃত হামলার অভিযোগ অস্বীকার ইউক্রেনের আশুলিয়ায় বিএনপি নেতাকে কাফনের কাপড় ও গুলি পাঠিয়ে হত্যার হুমকি ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতির সুযোগে কিয়েভে রাশিয়ার বড় হামলা, শিশুসহ নিহত ৪ ফেনেরবাখচেতে যেতে রাজি লুকাকু, ট্রান্সফার ফি নিয়ে আলোচনা যুক্তরাষ্ট্রে কোন অঙ্গরাজ্যে মানুষ বেশি পাড়ি জমাচ্ছে, জানাল ইউ-হোল দাবানলের ধোঁয়া: বিশ্বজুড়ে বাড়ছে প্রাণঘাতী স্বাস্থ্যঝুঁকি ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতি সত্যি হলো: ওয়াশিংটনের আতশবাজি প্রদর্শনীতে বিশ্বরেকর্ড ডাবলিনে পড়াশোনা ও ভালোবাসার গল্প: একটি পাজামার উপহার বদলে দিল ভবিষ্যৎ হরমুজ প্রণালী নিয়ে ওমানের সঙ্গে আলোচনা ইতিবাচক হলেও এখনই খুলছে না: ইরান শ্রীলঙ্কা সফরের প্রস্তুতি ম্যাচে দেবদূত পাডিক্কালের অপরাজিত ১৪২ রান বুলগেরিয়া সীমান্তে ড্রোন বিস্ফোরণ: ইচ্ছাকৃত হামলার অভিযোগ অস্বীকার ইউক্রেনের আশুলিয়ায় বিএনপি নেতাকে কাফনের কাপড় ও গুলি পাঠিয়ে হত্যার হুমকি ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতির সুযোগে কিয়েভে রাশিয়ার বড় হামলা, শিশুসহ নিহত ৪ ফেনেরবাখচেতে যেতে রাজি লুকাকু, ট্রান্সফার ফি নিয়ে আলোচনা যুক্তরাষ্ট্রে কোন অঙ্গরাজ্যে মানুষ বেশি পাড়ি জমাচ্ছে, জানাল ইউ-হোল দাবানলের ধোঁয়া: বিশ্বজুড়ে বাড়ছে প্রাণঘাতী স্বাস্থ্যঝুঁকি