জিম্বাবুয়ের কারিবা হ্রদে সরকারি মালিকানাধীন একটি ফেরিডুবির ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৪ জনে দাঁড়িয়েছে। গত সপ্তাহে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় উদ্ধার অভিযান এখনো চলমান রয়েছে বলে মঙ্গলবার সরকারি এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে বলা হয়, এখন পর্যন্ত ৭৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
তদন্তে জানা গেছে, ফেরিটি কারিবা শহর থেকে হ্রদের একটি প্রত্যন্ত গ্রামীণ জনপদে যাওয়ার পথে শক্তিশালী ঢেউয়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার সময় ফেরিটিতে প্রায় ১৮০ জন যাত্রী ছিল। অথচ পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, ফেরিটির যাত্রী বহনের সর্বোচ্চ ক্ষমতা ছিল ৯০ জন। সরকার নিশ্চিত করেছে যে, যাত্রী ও মালামালসহ ফেরিটি তার ধারণক্ষমতা অতিক্রম করেছিল।
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংবাদপত্র 'দ্য হেরাল্ড'-এর তথ্যমতে, এটি জিম্বাবুয়ের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিবহন দুর্ঘটনা। এর আগে ১৯৯১ সালে একটি বাস দুর্ঘটনায় ৮৯ জনের প্রাণহানি ঘটেছিল, যা ছিল দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিপর্যয়। জিম্বাবুয়ে ও জাম্বিয়া সীমান্তের মাঝে অবস্থিত কারিবা হ্রদ বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম কৃত্রিম জলাধার।

