হোয়াইট হাউসের বলরুম নির্মাণ কাজ আপাতত চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট গত ২১ আগস্ট এক আদেশে জানিয়েছে, হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৪০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মাণাধীন বলরুমের কাজ আপাতত থামানোর প্রয়োজন নেই। নিম্ন আদালতের এক বিচারক নির্মাণকাজ স্থগিতের যে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তা সঠিক ছিল কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত এই নির্মাণকাজ চলবে।

প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস ওই বিচারকের দেওয়া স্থগিতাদেশ কার্যকরের প্রক্রিয়া আটকে দিয়েছেন। এর ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের আপিলটি বিস্তারিতভাবে বিবেচনা করার জন্য বিচারপতিরা বাড়তি সময় পেলেন। ন্যাশনাল ট্রাস্ট ফর হিস্টোরিক প্রিজারভেশন আদালতকে সতর্ক করে বলেছিল, নির্মাণকাজ এখনই না থামালে প্রকল্পটি অপরিবর্তনীয় পর্যায়ে পৌঁছে যাবে।

তবে বিচার বিভাগে ট্রাম্প প্রশাসনের করা আপিলে দাবি করা হয়েছে, বলরুমের কাজ ইতিমধ্যে ৬৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। এর অংশ হিসেবে মাটির নিচে একটি নিরাপত্তা কমপ্লেক্স তৈরি করা হচ্ছে এবং এই নকশায় বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন আনা এখন আর সম্ভব নয়। গত মাসে এক ফেডারেল আপিল আদালত ২-১ ভোটে নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখলেও, প্রশাসনের আপিলের সুযোগ করে দিতে তা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করেনি।

ডিসি সার্কিটের আপিল আদালত তাদের রায়ে হোয়াইট হাউসকে 'দ্য পিপলস হাউস' হিসেবে উল্লেখ করে বলেছিল, হোয়াইট হাউসের ঐতিহাসিক গুরুত্ব বজায় রেখে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কংগ্রেসের দায়িত্ব। তবে সার্কিট বিচারক নিওমি রাও ভিন্নমত পোষণ করে তার রায়ে লিখেছেন, মার্চ মাসে জেলা আদালতের বিচারক যে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তা নির্মাণকাজের ওপর অন্যায্য নিয়ন্ত্রণ আরোপের শামিল। ট্রাম্প কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারক রাও আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারকে জেলা আদালতের স্থাপত্য অনুমোদনের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য করা উচিত নয়। উল্লেখ্য, জেলা আদালতের রায় বহাল রাখা অন্য দুই বিচারক প্যাট্রিশিয়া মিলেট এবং ব্র্যাড গার্সিয়া ডেমোক্রেটিক প্রেসিডেন্টদের নিয়োগপ্রাপ্ত ছিলেন।

গত বছরের অক্টোবরে ব্যক্তিগত অর্থায়নে ৯০ হাজার বর্গফুটের বলরুম তৈরির জন্য ট্রাম্প ইস্ট উইং ভেঙে ফেলেন। প্রশাসনের যুক্তি, এই প্রকল্পের জন্য কংগ্রেসের অনুমোদনের প্রয়োজন নেই এবং ন্যাশনাল ট্রাস্ট ফর হিস্টোরিক প্রিজারভেশন কেবল তাদের ব্যক্তিগত পছন্দের ভিত্তিতে এই নির্মাণকাজ চ্যালেঞ্জ করতে পারে না। গোয়েন্দা পরিচালক জে ক্লেটন সুপ্রিম কোর্টে আপিল করার সময় এই প্রকল্পকে জাতীয় স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

বিচার বিভাগ জানিয়েছে, বলরুম নির্মাণে এমন সব উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে যা পারমাণবিক বিস্ফোরণ সহ্য করতে সক্ষম। তাই আদালতের নির্দেশে এখন আর এটি ভেঙে ফেলা বা পরিবর্তন করার সুযোগ নেই। অন্যদিকে, ন্যাশনাল ট্রাস্ট ফর হিস্টোরিক প্রিজারভেশন এই প্রজেক্টের আকার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, এটি হোয়াইট হাউসের মূল স্থাপত্যের ওপর প্রভাব ফেলছে। ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই হোয়াইট হাউসে রাষ্ট্রীয় নৈশভোজের মতো বড় অনুষ্ঠানের জন্য একটি বলরুমের প্রয়োজনীয়তার কথা বলে আসছিলেন। প্রশাসনের তথ্যমতে, ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার কয়েক মাস আগেই এই প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

শিরোনাম :
বিমানের জরুরি পরিস্থিতি কি নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভাগ্য বদলাতে পারবে? টাইম ১০০ তালিকায় জাপানের প্রথম মাতৃত্বকালীন ছুটিতে যাওয়া মেয়র ব্রাজিলে ফ্যাসিবাদ রুখতে আমিই একমাত্র ভরসা: রিওতে লুলার বিশাল সমাবেশ বাংলাদেশ জাতীয় দলের সহকারী কোচ হলেন মালিবাংওয়ে মাকেতা ভিসা জটিলতায় সাংবাদিকতা প্রোগ্রামে ভর্তি স্থগিত করল কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি স্পেনে আটক মিয়ানমার আমেরিকান চেম্বারের সাবেক বোর্ড সদস্য চলতি মাসেই খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, শুরু হয়েছে চাহিদাপত্র পাওয়ার প্রক্রিয়া রোমান রেইন্সের মুখোমুখি হওয়ার আগে নিজের মানসিক প্রস্তুতি জানালেন এলএ নাইট মেম কয়েন ইভেন্টে ট্রাম্পের নৈশভোজ, থাকছে স্বর্ণের ঘড়িসহ বিশেষ উপহার ভোটার তালিকা নিয়ে বিতর্ক: ভারতে ফের পথে ‘ককরোচ’ আন্দোলন বিমানের জরুরি পরিস্থিতি কি নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভাগ্য বদলাতে পারবে? টাইম ১০০ তালিকায় জাপানের প্রথম মাতৃত্বকালীন ছুটিতে যাওয়া মেয়র ব্রাজিলে ফ্যাসিবাদ রুখতে আমিই একমাত্র ভরসা: রিওতে লুলার বিশাল সমাবেশ বাংলাদেশ জাতীয় দলের সহকারী কোচ হলেন মালিবাংওয়ে মাকেতা ভিসা জটিলতায় সাংবাদিকতা প্রোগ্রামে ভর্তি স্থগিত করল কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি স্পেনে আটক মিয়ানমার আমেরিকান চেম্বারের সাবেক বোর্ড সদস্য চলতি মাসেই খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, শুরু হয়েছে চাহিদাপত্র পাওয়ার প্রক্রিয়া রোমান রেইন্সের মুখোমুখি হওয়ার আগে নিজের মানসিক প্রস্তুতি জানালেন এলএ নাইট মেম কয়েন ইভেন্টে ট্রাম্পের নৈশভোজ, থাকছে স্বর্ণের ঘড়িসহ বিশেষ উপহার ভোটার তালিকা নিয়ে বিতর্ক: ভারতে ফের পথে ‘ককরোচ’ আন্দোলন