বৃহস্পতিবার ব্যাসেতেরেতে অনুষ্ঠিত সিপিএল ম্যাচে সেন্ট লুসিয়া কিংসের বিপক্ষে ১৩৭ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় পেয়েছে সেন্ট কিটস ও নেভিস প্যাট্রিয়টস। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে প্যাট্রিয়টস দাসুন শানাকার রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরিতে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২৩৫ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ গড়ে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে সেন্ট লুসিয়া কিংস মাত্র ৯৮ রানেই গুটিয়ে যায়।
ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে প্যাট্রিয়টস কিছুটা ধীরগতির সূচনা করে। প্রথম তিন ওভারে মাত্র ১০ রান তোলার পাশাপাশি কাইল মায়ার্সের উইকেটও হারায় দলটি। তবে তৃতীয় ওভারে ম্যাথু ফোর্ডের বলে একটি ছক্কা ও একটি চারের পর পাঁচটি ওয়াইড রান আসায় খেলার গতি পরিবর্তন হয়। এরপর আন্দ্রে ফ্লেচার ও জনসন চার্লস মিলে রানের গতি বাড়ান। পাওয়ারপ্লের শেষে প্যাট্রিয়টসের সংগ্রহ ছিল ১ উইকেটে ৫৯ রান। ফ্লেচার মাত্র ২৩ বলে তার অর্ধশতক পূর্ণ করেন। রস্টন চেজ জনসন চার্লসকে আউট করে ৮১ রানের জুটি ভাঙলেও প্যাট্রিয়টসের রানের চাকা সচল ছিল।
ম্যাচের আসল উত্তেজনা ছড়ায় দাসুন শানাকার ব্যাটিংয়ে। তিনি ক্রিজে এসেই জশুয়া বিশপ ও রস্টন চেজের ওপর চড়াও হন। ফ্লেচার এবং জেসন হোল্ডার দ্রুত আউট হলেও শানাকা অবিচল ছিলেন। তিনি মাত্র ২৪ বলে অর্ধশতক এবং ৩৯ বলে তার সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন, যা সিপিএলের ইতিহাসে দ্রুততম শতক। শেষ ওভারে চারটি ছক্কা ও একটি চারের মারে প্যাট্রিয়টস ২৩৫ রানের বিশাল লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয়।
জবাবে সেন্ট লুসিয়া কিংসের ব্যাটিং লাইনআপ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। প্রথম ওভারেই কামিল পুরান আউট হন। পাওয়ারপ্লের মধ্যে জন ক্যাম্পবেল ও চারিথ আসালাঙ্কা বিদায় নিলে ৪৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ে কিংস। এরপরই শুরু হয় জেরেমায়া লুইসের বোলিং তোপ। লুইস ১০ম ওভারে আক্রমণে এসে পরপর দুই বলে রস্টন চেজ ও ম্যাথু ফোর্ডকে সাজঘরে ফেরান। পরবর্তীতে জশুয়া বিশপ, মাহিশ থিকশানা এবং আমারি গুড্রিজকেও আউট করেন তিনি। কিংসের পক্ষে মাত্র তিনজন ব্যাটার দুই অঙ্কের কোটা স্পর্শ করতে পেরেছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত ৯৮ রানে অলআউট হয় তারা। জেরেমায়া লুইস ৫টি উইকেট শিকার করে দলের এই জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন।

