মার্কিন সংগীত, জনহিতকর কাজ এবং সংস্কৃতির ইতিহাসে এক অমোচনীয় ছাপ রেখে গেছেন ডলি পার্টন। ৮০ বছর বয়সে ২৫ আগস্ট না ফেরার দেশে পাড়ি জমান এই শিল্পী। তার রসবোধ, উদারতা এবং অনন্য কণ্ঠস্বর তাকে আমেরিকান বিনোদন জগতের অন্যতম প্রিয় ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছিল।
ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে বিস্তৃত কর্মজীবনে তিনি কেবল কান্ট্রি মিউজিকের সুপারস্টারই ছিলেন না; বরং একাধারে পুরস্কার বিজয়ী গায়িকা, গীতিকার, অভিনেত্রী, লেখিকা, ব্যবসায়ী এবং সমাজসেবী হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছিলেন। মঞ্চের বাইরেও তার প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী। কর্মজীবনে তিনি হাজার হাজার গান লিখেছেন, অসংখ্য গ্র্যামি পুরস্কার অর্জন করেছেন, জনপ্রিয় সব চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন এবং পূর্ব টেনেসির স্মোকি মাউন্টেনসে একটি পারিবারিক বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তুলেছিলেন।
বিশ্বজুড়ে মানুষ যখন তার জীবন ও অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে, তখন আপনিও তার জীবনের ১০টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত সম্পর্কে আপনার জ্ঞান যাচাই করতে পারেন।
এদিকে, কান্ট্রি মিউজিকের এই রানির মৃত্যুর কারণ এবং শেষকৃত্যের পরিকল্পনা সম্পর্কে তার প্রতিনিধিরা বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছেন। সারা বিশ্ব থেকে তার প্রতি আবেগঘন শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে। রাজনীতিবিদ, প্রাক্তন সহশিল্পী এবং সহকর্মী সংগীতশিল্পীরা শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ডলি পার্টনের মৃত্যুকে "লক্ষ লক্ষ মানুষের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি" হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং এক সপ্তাহের জন্য আমেরিকার পতাকা অর্ধনমিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
