রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, নারী টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ৭২ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। এটি টুর্নামেন্টে ভারতের চতুর্থ শিরোপা। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে আধিপত্য বজায় রাখা ভারত ফাইনালেও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিয়েছে।
ম্যাচের শুরুতেই ভারতের দুই ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি ভার্মা শ্রীলঙ্কান বোলারদের ওপর চড়াও হন। শেফালি ভার্মা শুরুটা ধীরস্থির করলেও দ্রুতই মারমুখী হয়ে ওঠেন। তিনি মাত্র ২৪ বলে অর্ধশতক হাঁকিয়ে নারী টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপের ইতিহাসে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড গড়েন। স্মৃতি মান্ধানা শুরুতে কিছুটা ধীরগতিতে খেললেও শেফালিকে যোগ্য সঙ্গ দেন। এই দুই ওপেনার মিলে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নিজেদের ষষ্ঠবারের মতো ১০০ রানের বেশি জুটি গড়েন। ১২ ওভারের মধ্যেই ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১২০ রানে।
তবে শেফালি আউট হওয়ার পর ভারতের রানের গতি কিছুটা কমে আসে। হারমানপ্রীত কৌর ও মান্ধানার ভুল বোঝাবুঝিতে মান্ধানা রান-আউট হলে ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ কিছুটা চাপে পড়ে। শেষ দিকে জি কামালিনির শেষ বলের ছক্কায় ভারত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮৩ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। শ্রীলঙ্কার হয়ে মিতালি অযোধ্যা ও চামারি আথাপাত্তু একটি করে উইকেট নেন।
১৮৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কার শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি। চতুর্থ বলেই ক্রান্তি গাউডের বলে ইমেশা দুলানি আউট হন। এরপর চামারি আথাপাত্তু ও ভিশমি গুনারত্নে দলের স্কোর ৫০ পার করলেও দীপ্তি শর্মার ঘূর্ণিতে আথাপাত্তুর উইকেট পতনের পর ধস নামে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিংয়ে। আথাপাত্তু ৩৬ রান করে স্টাম্পড হন। এরপর শ্রী চারানি শ্রীলঙ্কার মিডল অর্ডার গুঁড়িয়ে দিলে দলটি ১১১ রানেই গুটিয়ে যায়। চারানি ৪টি এবং দীপ্তি ৩টি উইকেট শিকার করেন।
৭২ রানের এই জয় নারী টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের ফাইনালে দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যবধানের জয়। এর আগে ২০২০ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ভারত ৮৫ রানে হেরেছিল।

