৯ সেপ্টেম্বর উইন্ডহোকে অনুষ্ঠিত দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যকার প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে নামিবিয়াকে ৯৯ রানে (ডিএলএস পদ্ধতি) হারিয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া নামিবিয়াকে ৩৪৮ রানের বিশাল লক্ষ্য দেয় সফরকারীরা। অভিষেক ম্যাচে জর্ডান হারম্যানের দুর্দান্ত ১৫০ রানের ওপর ভর করে দক্ষিণ আফ্রিকা ৬ উইকেট হারিয়ে ৩৪৮ রান সংগ্রহ করে।
ম্যাচের শুরুতেই অপর অভিষেককারী কনর এস্টারহুইজেন ১০ রানে রুবেন ট্রাম্পেলম্যানের বলে আউট হন। এরপর জর্ডান হারম্যান এবং টনি ডি জর্জি দ্বিতীয় উইকেটে ১৯০ রানের জুটি গড়ে স্বাগতিক বোলারদের চাপে ফেলেন। হারম্যান ৩০ রানে থাকার সময় একবার রান আউটের হাত থেকে বেঁচে যান, কারণ সিরিজে ডিআরএস ব্যবস্থা ছিল না। ডি জর্জি ৭২ রান করে গেরহার্ড ইরাসমাসের বলে এলবিডব্লিউ হওয়ার আগে বেশ সাবলীল ব্যাটিং করেন।
হারম্যান ১২৬ বলে ১৭টি চার ও তিনটি ছক্কার সাহায্যে ১৫০ রান করে ট্রাম্পেলম্যানের বলে লং-অনে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন। ইনিংসের শেষ দিকে করবিন বশ জেজে স্মিটের ওভারে দুটি রিভার্স-স্কুপ ছক্কা মেরে দলের সংগ্রহ ৩৪৮-এ নিয়ে যান। নামিবিয়ার পক্ষে রুবেন ট্রাম্পেলম্যান ৪টি উইকেট শিকার করেন, তবে দলের ফিল্ডিং ছিল বেশ হতাশাজনক।
নামিবিয়ার লক্ষ্য তাড়া করার শুরুটা মন্দ ছিল না। মালান ক্রুগার ও আলেকজান্ডার ভোলশেঙ্ক উদ্বোধনী জুটিতে ৫০ রান যোগ করেন। তবে কুয়েনা মাপাকা ভোলশেঙ্ক ও ইয়ান ফ্রাইলিঙ্ককে ফিরিয়ে নামিবিয়াকে চাপে ফেলেন। এরপর বৃষ্টি নামলে খেলা প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধ থাকে। খেলা পুনরায় শুরু হলে ডিএলএস পদ্ধতিতে নামিবিয়ার লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩৮ ওভারে ৩০১ রান। পরবর্তীতে বৃষ্টির কারণে আরও সাত ওভার কমে যাওয়ায় শেষ সাত ওভারে নামিবিয়ার জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১৬৭ রান। শেষ পর্যন্ত নামিবিয়া ৩১ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬২ রান করতে সক্ষম হয়। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে প্রেনেলান সুব্রায়েন ২৯ রানে ৪টি উইকেট নেন।

