গ্যাজেট্টার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিরি আ-র চতুর্থ রাউন্ডে সাসুওলোর বিপক্ষে ম্যাচে জুভেন্টাসের শুরুর একাদশে কেবল একজন ইতালীয় খেলোয়াড় থাকতে পারেন। ম্যাপেই স্টেডিয়ামে আগামী রবিবারের এই ম্যাচে টটেনহ্যাম থেকে ধারে আসা গোলরক্ষক গুগলিয়েলমো ভিকারিও ছাড়া আর কোনো ইতালীয় খেলোয়াড়কে শুরুর একাদশে রাখার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। বিশেষ করে, মাঠের মূল লড়াইয়ে (আউটফিল্ড) কোনো ইতালীয় খেলোয়াড় ছাড়াই খেলতে নামবে তুরিনের বুড়োরা।
বর্তমানে জুভেন্টাস শিবিরে বড় ধরনের ইনজুরি সংকট চলছে। ক্লাবটির মোট নয়জন খেলোয়াড় এই মুহূর্তে মাঠের বাইরে রয়েছেন। এর মধ্যে ইতালীয় খেলোয়াড় আন্দ্রেয়া ক্যাম্বিয়াসো, জেফ এখাতর এবং ম্যানুয়েল লোকাতেল্লিও রয়েছেন।
দলের রক্ষণভাগের দুই সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার ফেদেরিকো গাত্তি ও দানিয়েল রুগানির সাসুওলোর বিপক্ষে বেঞ্চে থাকার সম্ভাবনা বেশি। এছাড়া মধ্যমাঠের শক্তি বাড়াতে নেক্সটজেন স্কোয়াড থেকে প্রথম দলে ডাক পাওয়া ২১ বছর বয়সী সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার অগাস্টো ওউসুকেও বেঞ্চেই রাখা হতে পারে বলে জানা গেছে।
ইতালীয় সংবাদমাধ্যম গ্যাজেট্টা তাদের প্রতিবেদনে জুভেন্টাসের গৌরবময় ইতিহাসের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। অতীতে ক্লাবটি সব সময়ই দেশসেরা ইতালীয় খেলোয়াড়দের নিয়ে দল গঠন করত, যারা ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে ২০০৬ বিশ্বকাপ এবং ইউরো ২০২০-এর মতো স্মরণীয় সব ট্রফি জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।
এমনকি ক্যালসিওপোলি কেলেঙ্কারির পর আন্তোনিও কোন্তের অধীনে জুভেন্টাস যখন তাদের প্রথম স্কুডেত্তো জিতেছিল, তখনও তাদের শুরুর একাদশে আটজন ইতালীয় খেলোয়াড় ছিলেন। এছাড়া ১৯৮২ সালের বিশ্বকাপজয়ী ইতালি দলটিও রসি, তারদেল্লি, শিরিয়া, কাবরিনি এবং জেনতিলের মতো জুভেন্টাস তারকাদের দিয়ে ঠাসা ছিল। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ক্লাবের সেই ঐতিহ্যবাহী চিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।

