রবার্ট এফ কেনেডির নাতনি কাইল কেনেডি ৪২ বছর বয়সে মারা গেছেন। বার্ক ফিউনারেল হোমসের শোকবার্তায় জানানো হয়েছে, তিনি গত ২১ সেপ্টেম্বর ম্যাসাচুসেটসের ওয়েস্টউডে নিজের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর শেষকৃত্য ব্যক্তিগতভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
কাইল কেনেডির মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ প্রকাশ করা হয়নি। তবে ২০২০ সালে মেরুদণ্ডে গুরুতর আঘাত পাওয়ার পর থেকে তিনি দীর্ঘস্থায়ী পক্ষাঘাত, শারীরিক অক্ষমতা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যগত জটিলতায় ভুগছিলেন। শোকবার্তায় বলা হয়েছে, পরবর্তী বছরগুলো তাঁর জন্য অত্যন্ত সংগ্রামের ছিল, কিন্তু কাইল তার দৃঢ়তা ও রসবোধ ধরে রাখার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি তাঁর দুই ছেলেকে ভালো মা হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি নিজের প্রিয় দুটি হুইটেন টেরিয়ার কুকুরের যত্ন নিতেন।
প্রতিবন্ধকতা নিয়ে জীবনযাপন করা মানুষদের অধিকার রক্ষায় কাইল সোচ্চার ছিলেন। এমনকি ম্যাসাচুসেটস স্টেট হাউসে প্রতিবন্ধীদের স্বাস্থ্যসেবায় বৈষম্য নিয়ে আয়োজিত এক শুনানিতে তিনি সাক্ষ্যও দিয়েছিলেন। ইউএসএ টুডে এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য রবার্ট অ্যান্ড ইথেল কেনেডি হিউম্যান রাইটস সেন্টারের সাথে যোগাযোগ করেছে।
কাইলের বাবা মাইকেল এল কেনেডি, যিনি একজন আইনজীবী ও ব্যবসায়ী ছিলেন, ১৯৯৭ সালে কলোরাডোর অ্যাস্পেন মাউন্টেনে এক স্কিইং দুর্ঘটনায় মারা যান। তাঁর দাদা, ডেমোক্র্যাটিক রাজনীতিক ও নিউ ইয়র্কের সিনেটর রবার্ট এফ কেনেডি ১৯৬৮ সালে লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি হোটেলে আততায়ীর গুলিতে নিহত হন। কাইলের ১২ বছর বয়সী যমজ সন্তান কনর ও জসির মধ্যে জসি জন্মের কয়েকদিন পরেই মারা গিয়েছিল।
কাইল কেনেডি তাঁর দুই ছেলে কনর ও ডেক্লান, প্রাক্তন স্বামী লিয়াম, মা ভিক্টোরিয়া, ভাই মাইকেল এবং বোন ররিকে রেখে গেছেন।

