তৃতীয় ওয়ানডেতে নামিবিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে নিজেদের করে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এই জয়ের মাধ্যমে ঘরের মাঠে আসন্ন মৌসুমের আগে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে থেকে সিরিজ শেষ করল দলটি। ১৫৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সফরকারীরা ২২ ওভারের আগেই জয় তুলে নেয়।
ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে নেতৃত্ব দেওয়া বিয়র্ন ফরচুন ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে ৩৩ রানে ৪ উইকেট শিকার করেছেন। এছাড়া লেগস্পিনার এনকাবায়োমিজি পিটার ৩৯ রানে ২ উইকেট নেন। যদিও উভয় দলই চারজন করে পেসার নিয়ে খেলেছিল, কিন্তু স্পিনাররাই মূলত নামিবিয়ার ব্যাটিং লাইনআপের ওপর বেশি চাপ সৃষ্টি করতে সক্ষম হন।
নামিবিয়ার হয়ে আলেকজান্ডার বুসিং-ভোলশেঙ্ক শুরুটা ভালো করলেও শেষ পর্যন্ত তা বড় সংগ্রহে রূপ নিতে পারেনি। জেইন গ্রিন ও ম্যাক্স হেইঙ্গোর শেষ উইকেট জুটির ৩১ রানের কল্যাণে নামিবিয়া ১৫৬ রান পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এর আগে বুসিং-ভোলশেঙ্ক ও লরেন স্টিনক্যাম্প তৃতীয় উইকেটে ৫৩ রান যোগ করেছিলেন, কিন্তু ফরচুনের ঘূর্ণিতে তারা খেই হারিয়ে ফেলে। ফরচুন তার স্পেলে লরেন স্টিনক্যাম্প ও ওয়াল্ডো স্মিথকে সাজঘরে ফেরান এবং বুসিং-ভোলশেঙ্ক রান আউট হন। এছাড়া জেরহার্ড ইরাসমাস ও জ্যান নিকোল লফটি-ইটনকেও প্যাভিলিয়নের পথ দেখান ফরচুন। ফরচুন তার চতুর্থ উইকেটটি পান ওয়াল্ডো স্মিথকে বোল্ড করে। পিটার জ্যাক ব্রাসেলকে ক্যাচ আউট করান এবং হেইঙ্গো ফরচুনের শেষ ওভারে ১৪ রান তুলে নেন। শেষ পর্যন্ত মাপাখার বলে ফরচুনের হাতে ক্যাচ দিয়ে জেইন গ্রিন আউট হলে নামিবিয়ার ইনিংস ৩৭ ওভারের আগেই শেষ হয়।
দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিংয়ে জর্ডান হারম্যান ও কনার এস্টারহুইজেন উদ্বোধনী জুটিতে ১৫০ রান তুলে ম্যাচ সহজ করে দেন। হারম্যান ৭৭ রান করে আউট হলেও এস্টারহুইজেন অপরাজিত ৬৮ রান নিয়ে মাঠ ছাড়েন। সিরিজের সর্বোচ্চ ২৪৭ রান সংগ্রহ করা হারম্যান ৩৩ রানে জীবন পাওয়ার সুবিধা কাজে লাগান। শেষদিকে দেওয়াল্ড ব্রেভিসের বিশাল ছক্কায় জয় নিশ্চিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকার।

