রবিবার হেডিংলিতে ওয়েলশ ফায়ারকে ৭১ রানের ব্যবধানে হারিয়ে নকআউটের পথে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করেছে সানরাইজার্স লিডস। ২০ পয়েন্ট ও +১.০৯৪ নেট রান রেট নিয়ে তারা এখন পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে, কেবল ট্রেন্ট রকেটস তাদের চেয়ে এগিয়ে আছে। অন্যদিকে, ওয়েলশ ফায়ার এখনও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকলেও তাদের পরিস্থিতি বেশ জটিল। ম্যানচেস্টার সুপার জায়ান্টস ও এমআই লন্ডনের সমান পয়েন্ট থাকলেও নেট রান রেটে পিছিয়ে থাকায় তাদের শেষ ম্যাচে লন্ডন স্পিরিটকে হারানো ছাড়াও অন্য দলগুলোর পরাজয়ের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা সানরাইজার্স লিডসের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। মিচেল মার্শ ও রায়ান রিকেলটন উদ্বোধনী জুটিতে ২৫ বলেই তুলে ফেলেন ৫৮ রান। মার্শ শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন, ক্রিস ওকসের বলে ছক্কা হাঁকানোর পাশাপাশি বাউন্ডারির বন্যা বইয়ে দেন। রিকেলটনও তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন। ওকস শেষ পর্যন্ত রিকেলটনকে আউট করে ৮৯ রানের এই জুটি ভাঙেন। মার্শ তার ফিফটি পূর্ণ করার পরপরই আউট হন, আর হ্যারি ব্রুকও দ্রুত সাজঘরে ফেরেন। তবে জ্যাক ক্রলি ১২ বলে ৩৪ রানের এক ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলের রান ২০০ পার করতে সাহায্য করেন। শেষদিকে ড্যান লরেন্স ও ম্যাথিউ রিভিসের ছোট ক্যামিওতে সানরাইজার্স নির্ধারিত ১০০ বলে ৪ উইকেট হারিয়ে ২০১ রান সংগ্রহ করে।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওয়েলশ ফায়ার শুরু থেকেই চাপে ছিল। সানরাইজার্স লিডসের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে তারা পাওয়ারপ্লেতে মাত্র ২৪ রান তুলতে সক্ষম হয়। ফিল সল্ট ১৩ রানে আউট হওয়ার পর ম্যাট শর্ট ও জো রুটের ৪৯ রানের জুটি কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করে। তবে শর্ট আউট হওয়ার পর দলের ব্যাটিং লাইনআপ ভেঙে পড়ে। মাত্র ৬ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফায়ার ম্যাচ থেকে ছিটকে যায়। শেষদিকে টম কোহলার-ক্যাডমোর ও ক্রিস ওকস চেষ্টা করলেও হারের ব্যবধান কমাতে পারেননি। ব্রাইডন কার্স ৩টি ও নাথান এলিস ২টি উইকেট নিয়ে জয়ের পথ সহজ করেন। শেষ পর্যন্ত ওয়েলশ ফায়ার ১০০ বলে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৩০ রান তুলতে সক্ষম হয়।

