তানজানিয়ার প্রেসিডেন্ট সামিয়া সুলুহু হাসানের স্বামী হাফিজ আমির হাসান সোমবার মারা গেছেন। দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট দেওগ্রাটিয়াস এনদেজেমবি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, জঞ্জিবারের একটি হাসপাতালে হৃদরোগের চিকিৎসারত অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
২০২১ সালে প্রেসিডেন্ট জন মাগুফুলির মৃত্যুর পর যখন সামিয়া সুলুহু হাসান তানজানিয়ার প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন হাফিজ আমির হাসান দেশটির ফার্স্ট জেন্টলম্যানের মর্যাদা পান। ভাইস প্রেসিডেন্ট দেওগ্রাটিয়াস এনদেজেমবি শোক প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে, হাফিজ আমির হাসানের শেষকৃত্যের জন্য তার আদি নিবাস জঞ্জিবারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। জঞ্জিবার তানজানিয়ার একটি আধা-স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপপুঞ্জ।
প্রেসিডেন্ট সামিয়া সুলুহু হাসান বর্তমানে তার দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২৫ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে তিনি ৯৭ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে জয়ী হন, যেখানে প্রধান দুটি বিরোধী দলের প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয়নি। ব্যক্তিগত জীবনে প্রেসিডেন্ট হাসান ও তার স্বামী চার সন্তানের জনক-জননী ছিলেন। তাদের মধ্যে তিন ছেলে এবং এক মেয়ে রয়েছে, যিনি একজন আইনপ্রণেতা।
হাফিজ আমির হাসানের মৃত্যুতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম রুটো তার সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি এক বার্তায় লিখেছেন, প্রেসিডেন্ট সামিয়া তার জীবনসঙ্গীকে হারিয়েছেন, তার সন্তানেরা হারিয়েছেন এক প্রিয় বাবাকে এবং তানজানিয়া হারিয়েছে তাদের এক বিশিষ্ট সন্তানকে। এছাড়া বুরুন্ডির প্রেসিডেন্ট ইভারিস্ট এনদাইশিমিয়েও প্রেসিডেন্ট হাসান ও তানজানিয়ার জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

