আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) নতুন ডেপুটি চেয়ারপারসন হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন তাভেঙ্গওয়া মুকুলহানি। তিনি এই পদে ইমরান খাজার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। সিঙ্গাপুরের এই ক্রিকেট প্রশাসক প্রায় দুই দশক ধরে আইসিসি বোর্ডে সহযোগী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পর গত জুলাই মাসে নির্বাচনে পরাজিত হন। এরপর সেই সপ্তাহের শেষ দিকেই তিনি ডেপুটি চেয়ারপারসনের পদ থেকে সরে দাঁড়ান।
বর্তমানে মুকুলহানি আইসিসির ফিন্যান্স অ্যান্ড কমার্শিয়াল অ্যাফেয়ার্স কমিটি (এফঅ্যান্ডসিএ) ও নমিনেশন কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি আইসিসির হিউম্যান রিসোর্স (এইচআর) অ্যান্ড রেমুনারেশন কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও কাজ করছেন। ২০২৭ সালের পুরুষদের ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজনে জিম্বাবুয়ে অন্যতম আয়োজক হওয়ায় মুকুলহানির এই নিয়োগকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে আইসিসি। সংস্থাটির মতে, জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটে তার নেতৃত্ব এবং আঞ্চলিক বিষয়ে তার গভীর জ্ঞান ২৪ বছর পর আফ্রিকায় বিশ্বকাপ ফিরিয়ে আনা এবং মহাদেশটিতে ক্রিকেটের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নিজের এই নতুন দায়িত্ব সম্পর্কে তাভেঙ্গওয়া মুকুলহানি বলেন, আইসিসি বোর্ডের সহকর্মীদের আস্থা ও এই সুযোগের জন্য আমি গভীরভাবে সম্মানিত ও কৃতজ্ঞ। আইসিসির চেয়ারম্যান জয় শাহের নেতৃত্ব, শক্তি ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা সংস্থাটিতে একটি স্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, যা ক্রিকেটের প্রসার এবং নতুন বাজার ও দর্শক তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। আমি চেয়ারম্যান জয় শাহ ও বোর্ড পরিচালকদের সাথে মিলে ক্রিকেটের বৈশ্বিক স্বার্থে কাজ করার অপেক্ষায় আছি। বিশেষ করে অলিম্পিক গেমসে ক্রিকেটের প্রত্যাবর্তন এবং বিশ্বব্যাপী এর সম্প্রসারণের এই রোমাঞ্চকর সময়ে আমি আমার দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট থাকব।
আইসিসির চেয়ারম্যান জয় শাহ নতুন ডেপুটি চেয়ারপারসনকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ক্রিকেট প্রশাসনে মুকুলহানির অভিজ্ঞতা, বৈশ্বিক খেলার বিষয়ে তার বোঝাপড়া এবং এর উন্নয়নে তার প্রতিশ্রুতি আইসিসি বোর্ডের জন্য অমূল্য সম্পদ। প্রথম জিম্বাবুইয়ান হিসেবে এই পদে আসীন হওয়া তার জন্য একটি বড় মাইলফলক। ক্রিকেটের বৈশ্বিক সম্প্রসারণের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তার শক্তিশালী নেতৃত্ব আমাদের লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে। আমি তার নতুন এই যাত্রায় সাফল্য কামনা করছি।

