ওমেন্স হান্ড্রেডে সোফিয়া ডাঙ্কলির দুর্দান্ত অর্ধশতকে ভর করে টানা চতুর্থ জয় তুলে নিয়েছে ট্রেন্ট রকেটস। অন্য ম্যাচে ওরলা প্রেন্ডারগাস্টের বিধ্বংসী বোলিংয়ে ম্যানচেস্টার সুপার জায়ান্টসকে ৩ উইকেটে হারিয়ে কোয়ালিফিকেশনের আশা বাঁচিয়ে রেখেছে ওয়েলশ ফায়ার।
বার্মিংহাম ফিনিক্সের বিপক্ষে ১২৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ট্রেন্ট রকেটসের শুরুটা ভালো ছিল না। ওপেনার বেথ মুনি মাত্র ৭ রান করে বিদায় নেন। তবে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক সোফিয়া ডাঙ্কলি এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলেন বিধ্বংসী ইনিংস। ন্যাট সিভার-ব্রান্টের (২৪) সাথে ইতিবাচক ব্যাটিংয়ে জয়ের পথ সহজ করেন তিনি। যদিও সিভার-ব্রান্ট ও অ্যাশলেই গার্ডনার পরপর দুই বলে আউট হয়ে কিছুটা ধাক্কা দিয়েছিলেন, কিন্তু ডাঙ্কলির ৩৭ বলে ৬৫ রানের ঝোড়ো ইনিংসের ওপর ভর করে ১৬ বল বাকি থাকতেই ৬ উইকেটে জয় নিশ্চিত করে রকেটস।
এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বার্মিংহাম ফিনিক্স নির্ধারিত ১০০ বলে ১২২ রান করতে সক্ষম হয়। ডেভিনা পেরিন ও ট্যামি বিউমন্ট ভালো শুরু করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। অ্যালিস ক্যাপসি ও অধিনায়ক এলিস পেরি দুজনে মিলে করেন মাত্র ২ রান। এরপর অ্যানেরিক ডারকসেন ও এমা ল্যাম্বের (৪৫) জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় ফিনিক্স। ডারকসেন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বিদায় না নিলে তাদের সংগ্রহ আরও বাড়তে পারত। শেষদিকে কিম গার্থের বোলিং তোপে পড়ে ফিনিক্স, গার্থ ২৩ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন।
ম্যানচেস্টারে অনুষ্ঠিত অন্য ম্যাচে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে ম্যানচেস্টার সুপার জায়ান্টস। স্মৃতি মান্ধানা শুরুতেই একটি ছক্কা মারলেও ওরলা প্রেন্ডারগাস্টের বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতে পারেনি দলটির টপ অর্ডার। ইনিংসের মাঝামাঝি সময়ে ফিরে যান মান্ধানাও। মাইতলান ব্রাউন ও রিচা ঘোষের ধীরগতির ব্যাটিংয়ে (৩৭ বলে যৌথভাবে ২১ রান) তাদের বড় স্কোরের স্বপ্ন ভেস্তে যায়। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে মাত্র ৮৫ রান তুলতে সক্ষম হয় সুপার জায়ান্টস। প্রেন্ডারগাস্ট ১৮ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন।
জবাবে এই সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও ধুঁকতে হয়েছে ওয়েলশ ফায়ারকে। ৫৬ রানে ২ উইকেট হারিয়ে জয়ের দিকেই যাচ্ছিল তারা। কিন্তু সোফি একলেস্টোন পরপর দুই বলে উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন। তবে হেদার গ্রাহামের ঠান্ডা মাথার ব্যাটিংয়ে (১৬*) ৯ বল বাকি থাকতেই ৩ উইকেটের জয় পায় ওয়েলশ ফায়ার।

