বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান শ্রমবাজার মালয়েশিয়া দীর্ঘ দুই বছরেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর আবারো চালু হতে যাচ্ছে। চলতি মাসের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরুর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে মালয়েশিয়ার নিয়োগকর্তারা বাংলাদেশের রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর কাছে চাহিদাপত্র পাঠানো শুরু করেছেন।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকরা জানিয়েছেন, লেভি প্রদানের মাধ্যমে ফরেন ওয়ার্কার্স সেন্ট্রালাইজড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (এফডব্লিউসিএমএস) অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। তবে কর্মী নিয়োগের এই নতুন সুযোগ তৈরি হলেও রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর মধ্যে এক ধরনের উদ্বেগ রয়ে গেছে। চাহিদাপত্র পাওয়ার পর কর্মী নির্বাচন, স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং প্রশিক্ষণের মতো পরবর্তী কার্যক্রমগুলো কীভাবে এবং কখন শুরু হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন তাদের হাতে পৌঁছায়নি।
এ বিষয়ে এক রিক্রুটিং এজেন্সির মালিক জানান, দীর্ঘ বিরতির পর মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে দ্রুত কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করা প্রয়োজন। জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন বায়রার সদস্য ফরিদ আহমদ মজুমদার বলেন, সময়মতো কর্মী পাঠানো সম্ভব না হলে মালয়েশিয়ার নিয়োগকর্তারা বিকল্প দেশ থেকে কর্মী নেওয়ার দিকে ঝুঁকে পড়তে পারেন।
মালয়েশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশি কর্মীদের কোটা বরাদ্দ ও ই-অ্যাটেস্টেশন প্রক্রিয়া এগোলেও, পরবর্তী কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় নিয়োগকর্তা ও নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।

