রবিবার নেপোলির বিরুদ্ধে সিরি আ-র গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে পুরো জুভেন্টাস স্কোয়াডকে নিয়ে ‘জে হোটেল’-এ বিশেষ আবদ্ধ শিবিরে (রিতিরো) উঠেছেন কোচ লুসিয়ানো স্পালেত্তি। ইতালীয় ক্লাবটির চোটগ্রস্ত খেলোয়াড়রাও এই শিবিরে দলের সঙ্গী হয়েছেন।
ইতালীয় মাধ্যম তুত্তোস্পোর্টের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকালে পুরো দল হোটেলে চেক-ইন করেছে। রবিবার আলিয়াঞ্জ স্টেডিয়ামে মধ্য ইউরোপীয় সময় ২০:৪৫ টায় ম্যাচটি শুরুর আগ পর্যন্ত খেলোয়াড়েরা একসঙ্গেই অবস্থান করবেন। দীর্ঘমেয়াদি চোটে থাকা কেনান ইলদিজ, অধিনায়ক মানুয়েল লোকাতেল্লি এবং কেফরেঁ তুরাম সতীর্থদের পাশে থাকতে দ্রুত কন্টিনাসায় হাজির হয়েছেন। কেবল হাঁটুর অস্ত্রোপচারের পর পোল্যান্ডে পুনর্বাসনে থাকা কামিল গ্রাবারা এই শিবির থেকে অনুপস্থিত রয়েছেন।
৬৭ বছর বয়সী কোচ স্পালেত্তির জন্য এই ধরনের পদক্ষেপ বেশ ব্যতিক্রমী। তিনি কখনোই রিতিরো বা হোটেল শিবিরকে শাস্তি হিসেবে বিবেচনা করেন না। এর আগে সর্বশেষ ২০২২ সালের এপ্রিলে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, যখন তাঁর তৎকালীন ক্লাব নেপোলি এম্পোলির কাছে দুই গোলের লিড হারিয়ে ৩-২ ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল। তবে সেই সময় খেলোয়াড়দের রাতের খাবারের পর বাড়ি ফেরার স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছিল। এবার অবশ্য রবিবার পর্যন্ত সবাইকে একসঙ্গেই থাকতে হচ্ছে।
গত বুধবারে জেনোয়ার কাছে ২-০ ব্যবধানে পরাজয়ের পর সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন স্পালেত্তি, আর সেই ম্যাচের পরই এই সিদ্ধান্ত এলো। লিগ টেবিলে বর্তমানে জুভেন্টাস ও নেপোলি উভয় দলই ১৪ পয়েন্ট নিয়ে সমতায় রয়েছে।
শিবিরে থাকা সত্ত্বেও ফুটবলারদের ওপর চলাফেরায় কোনো কঠিন কড়াকড়ি আরোপ করেননি স্পালেত্তি, কারণ দলের খেলোয়াড়দের ওপর তাঁর আস্থা রয়েছে। তবে তুত্তোস্পোর্ট উল্লেখ করেছে, সাম্প্রতিক সময়ে কেবল গ্লিসন ব্রেমার এবং ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থার সম্মুখীন হয়েছেন।

