মিনেসোটার ম্যাকলেস্টার কলেজের বৌদ্ধ ধর্ম বিষয়ক অধ্যাপক এরিক ডেভিস বর্তমানে এক আইনি লড়াইয়ের মুখোমুখি হয়েছেন। ১৬ জুন সেন্ট পল এলাকায় মেডিকেল অ্যাপয়েন্টমেন্টে যাওয়ার পথে ফেডারেল এজেন্টরা তাকে ঘিরে ফেলে এবং গ্রেপ্তার করে। ৫৩ বছর বয়সী এই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট বা আইসিই-এর কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে বাধা দিতে একটি 'ষড়যন্ত্রে' লিপ্ত ছিলেন। অভিযোগনামায় ডেভিসের বিরুদ্ধে কোনো সহিংস কাজের সুনির্দিষ্ট উল্লেখ নেই, তবে ১১ জানুয়ারি তিনি আইসিই-এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধের জন্য একটি জরুরি সভার আয়োজন করেছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে।
মার্কিন সরকারের ৯৪ পৃষ্ঠার অভিযোগনামায় দাবি করা হয়েছে, এরিক ডেভিস এবং আরও ১৪ জন ব্যক্তি আইসিই কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে 'বলপ্রয়োগ, ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি' দিয়েছেন। প্রসিকিউশনের দাবি, ১ মার্চ ফেডারেল ভবনের সামনে বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড তৈরি করে এবং যানবাহন চলাচলে বাধা দেয়। তবে ডেভিস এই অভিযোগকে 'ছোট মনের প্রতিশোধ' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, 'তারা আইসিই-এর বিরোধিতাকারী সবাইকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে।'
অন্যান্য অভিযুক্তদের মধ্যে ৪৫ বছর বয়সী হোম হেলথ এইড নাতাশা রাকোতজ জানিয়েছেন, তিনি নৈতিক দায়বদ্ধতা থেকে এই আন্দোলনে যুক্ত হয়েছিলেন। তিনি বলেন, 'মানুষ বলে, ১৯৩৫ সালের জার্মানিতে হলে আমি কী করতাম? আমি চুপ থাকতে পারিনি।' তবে তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। ১৮ মে তিনি ফেডারেল এজেন্টের গাড়ি ধাওয়া করে সংঘর্ষ ঘটিয়েছেন বলে দাবি করেছে বিচার বিভাগ। রাকোতজ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। প্রসিকিউটর ড্যানিয়েল রোজেন জানিয়েছেন, সরকারের দাবি এই অভিযুক্তরা সম্মিলিতভাবে মার্কিন সরকারের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করেছে।

