পন্ডিচেরিতে ভারত এ দলের বিপক্ষে দ্বিতীয় অনানুষ্ঠানিক টেস্টের প্রথম দিনে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল অস্ট্রেলিয়া এ দল। দলীয় ১৬ রানের মাথায় ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা সফরকারীরা শেষ পর্যন্ত স্যাম হার্পারের দুর্দান্ত লড়াইয়ে দিন শেষ করেছে ২৮২ রান সংগ্রহ করে। হার্পার ১৪৬ বলে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন এবং দিন শেষে ১৫৩ বলে অপরাজিত ১০১ রান নিয়ে মাঠ ছাড়েন। তার এই ইনিংসটি সাজানো ছিল সাতটি চার ও তিনটি ছক্কার মারে।
টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া অস্ট্রেলিয়া এ দলের শুরুটা ছিল হতাশাজনক। অষ্টম ওভারে জশ ফিলিপ ৫ রান করে আউট হন। এরপর স্যাম কনস্টাস এবং অধিনায়ক পিটার হ্যান্ডসকম্ব দ্রুত সাজঘরে ফেরেন। হ্যান্ডসকম্ব ১৫ বল খেলে কোনো রান করতে পারেননি। ভারতের বোলার অংশুল কাম্বোজের দারুণ শুরুর পর নাচিকেত ভুটে ফিলিপ ও হ্যান্ডসকম্বকে ফিরিয়ে সফরকারীদের চাপে ফেলেন।
তবে জেসন সাঙ্ঘা ও নাথান ম্যাকসুইনি চতুর্থ উইকেটে ৮১ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। সাঙ্ঘা ৪৬ রান করে কুমার কুশাগড়ার চমৎকার ক্যাচে আউট হন এবং ম্যাকসুইনি ৩৪ রান করে শামস মুলানির বলে বিদায় নিলে অস্ট্রেলিয়া এ দলের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১০৪/৫। এরপর লিয়াম স্কট ও হার্পার মিলে ষষ্ঠ উইকেটে ৮৪ রান যোগ করেন। স্কট ৮২ বলে ৩৪ রান করে নাচিকেত ভুটের তৃতীয় শিকারে পরিণত হন।
দিনের শেষভাগে হার্পার ও টড মার্ফি সপ্তম উইকেটে ৮৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। মার্ফি ৯১ বলে ৩৪ রান করে দিনের খেলা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ আগে অংশুল কাম্বোজের বলে বোল্ড হন। ভারতের বোলারদের মধ্যে নাচিকেত ভুটে ৩টি এবং শামস মুলানি ৩টি উইকেট শিকার করেছেন। তবে ভারতের বোলারদের অতিরিক্ত বল করার প্রবণতা ছিল চোখে পড়ার মতো; শামস মুলানি ২৮ ওভারে ৭৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিলেও ১৪টি নো-বল করেছেন। ভারত এ দলের মোট ২১টি ফুট ফল্ট ছিল দিনের খেলায় উদ্বেগের বিষয়।

